প্রেমের টানে ইন্দোনেশিয়া থেকে শরীয়তপুরে, অতঃপর বিয়ে

|

এবার প্রেমের টানে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন ইন্দোনেশিয়ান তরুণী। মারদিয়ানা নামে ওই তরুণী ইন্দোনেশিয়ার পালু বোরাদ এলাকার কাহারুদ্দিন ও মোলি দম্পতির মেয়ে। তিনি সেদেশে একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন।

মারদিয়ানার সঙ্গে ২০১৩ সালে ফেসবুকে পরিচয় হয় শরীয়তপুরের নড়িয়া পৌরসভার লোনসিং গ্রামের মো. সেলিম খালাসীর সঙ্গে। পরে তাদের মধ্যে ভাই-বোনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই মধ্যে ২০১৬ সালে মাদারীপুর সদর উপজেলার দুধখালী ইউনিয়নের চন্ডিবদ্দি গ্রামের কাজী এটিএম দাউদের ছেলে কাজী আহমাদুল হোসেন রাজনের সঙ্গে প্রথমে ফেসবুকে পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব হয় মারদিয়ানার।

বন্ধুত্ব থেকে এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আর সেই টানেই বাঙালি তরুণের কাছে ২০ ২৯ এপ্রিল ছুটে আসেন মারদিয়ানা।

এরপর ৩০ এপ্রিল ঢাকা কোতোয়ালি কোর্ট হাউস স্ট্রিট বার ভবনে মারদিয়ানা-রাজনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর এক সপ্তাহ থেকে ইন্দোনেশিয়া চলে যান মারদিয়ানা। আবার গত বৃহস্পতিবার শরীয়তপুর ফেরেন। আজ শুক্রবার সেলিমের বাড়িতে জাকজমকপূর্ণ সামাজিক অনুষ্ঠানের পর রাজনের বাড়িতে তুলে নেয়া হয় মারদিয়ানাকে।

নড়িয়া পৌরসভার মেয়র শহীদুল ইসলাম বাবু রাঢ়ি বলেন, প্রেমের টানে সুদূর ইন্দোনেশিয়া থেকে বাংলাদেশে চলে আসাই প্রমাণ করে তাদের ভালেবাসার গভীরতা। ইসলামী শরীয়া মোতাবেক বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। এমন বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নিজেকে ধন্য মনে হচ্ছে।









Leave a reply