৫ ফেসবুক আইডির বিরুদ্ধে এমপি পঙ্কজের মামলা

|

বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও আপত্তিকর স্ট্যাটাস এবং ছবি প্রকাশের অভিযোগে পাঁচটি ফেসবুক আইডির নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন বরিশাল-৪ আসনের এমপি পঙ্কজ দেবনাথ।

রোববার সাইবার ট্রাইব্যুনালে (বাংলাদেশ) তিনি এ মামলাটি দায়ের করেন।

ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেন বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটকে (সিটিটিসি) অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের আদেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর তদন্ত প্রতিবেদনের দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

অভিযুক্ত ফেসবুক আইডিগুলো হল- লাল ভাই, মিনা ফারাহ, আলম শুভ, শিপন মাহমুদ পরদেশি ও রাজন রহমান রুমি। এ সব আইডি পরিচালনাকারী ব্যক্তিদের পরিচয় অজ্ঞাত বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিচারকের কাছে দেয়া জবানবন্দিতে পঙ্কজ দেবনাথ বলেন, গত ২৬ আগস্ট থেকে আপত্তিকর এ সব ছবি ও স্ট্যাটাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে প্রকাশ করা হচ্ছে। এতে আমার ও আমার রাজনৈতিক দলের ইমেজ নষ্ট হচ্ছে। তাই আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

আদালতে পঙ্কজ দেবনাথের পক্ষে আইনজীবী তাপস কুমার পাল, তপো গোপাল ঘোষ, মনোয়ার মোর্শদ শিশিরসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা তাদের নাম গোপন করে এবং কখনও কখনও নাম প্রকাশ করে বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে বাদীর (পঙ্কজ দেবনাথ) ছবি না হওয়া সত্ত্বেও মিথ্যা বর্ণনায় তার ছবি প্রকাশ ও প্রচার করা হচ্ছে।

গত ২৬ আগস্ট থেকে এ সব প্রকাশ করা হচ্ছে, যা এখনও পর্যন্ত প্রচারিত হচ্ছে। ইউটিউব, ফেসবুক ও অন্যান্য যোগাযোগমাধ্যমে এ সব ছবি প্রকাশ করায় বাদীর মারাত্মক মানহানি হয়।

এ বিষয়ে বাদীর পিএস মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলামের মাধ্যমে গত ২৭ আগস্ট রাজধানীর ধানমণ্ডি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। এরপরও বাদীর নামে আপত্তিকর স্ট্যাটাস ও ছবি পোস্ট অব্যাহত রয়েছে। ওই আপত্তিকর ছবিগুলো বাদীর ফেসবুক ফ্রেন্ড ও আত্মীয়-স্বজনেরা বাদীকে অবগত করলে বাদী বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় এ মামলাটি করেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮-এর ২৫, ২৬, ২৯, ৩০ ও ৩৫ ধারা আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু অথবা সংশ্লিষ্ট থানাকে অভিযোগ এফআইআর হিসেবে গ্রহণের আদেশ প্রার্থনা করা হয়। অভিযোগে পঙ্কজ দেবনাথসহ দু’জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও সাক্ষী দেয়া হবে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।









Leave a reply