সড়কে দুই দফা দাবি পূরণ না হলে চুয়াডাঙ্গায় ধর্মঘটের হুমকি

|

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

চুয়াডাঙ্গা জেলার প্রধান ৫টি সড়ক থেকে অবৈধ সকল যানবাহন বন্ধসহ দুই দফা দাবি জানিয়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলা সড়ক পরিবাহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।

শনিবার দুপুরে সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে জরুরী এক সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ দাবি পূরণের জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে ৮ দিনের সময়সীমা বেধে দেন। এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণে ব্যর্থ হলে ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে লাগাতার পরিবহন ধর্মঘটের হুমকি দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি হাবিবুর রহমান লাভলু বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে জেলার প্রধান ৫টি সড়ক থেকে নসিমন, করিমন, আলমসাধু, ইজিবাইক ও থ্রি হুইলারসহ সকল অবৈধ যানবাহন বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছি। এছাড়া আ লিক মহাসড়ক থেকে এসব যানবাহন উচ্ছেদে উচ্চ আদালতের নির্দেশনাও রয়েছে। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন এ ব্যাপারে কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না।

তিনি দাবি করেন, জেলার প্রধান সড়কগুলোতে এসব যানবাহন চলাচল করার কারণে পরিবহন শিল্প আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। এ কারণে জেলার প্রায় দেড় হাজার পরিবহন ব্যবসায়ী ও ৬ হাজার শ্রমিক চরম নাজুক পরিস্থিতির মধ্যে জীবন যাপন করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে বাস মিনিবাস মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক এ নাসির জোয়ারদার স্থানীয় পত্র পত্রিকার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, গত ৯ বছরে চুয়াডাঙ্গা জেলাতে অবৈধ এসব যানবাহনে দুর্ঘটনায় ৫ শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ২ হাজার মানুষ। হতাহতদের পরিবারগুলো মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কিন্তু এরপরও ঘুম ভাঙছে না স্থানীয় প্রশাসনের।

জেলা সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রিপন মণ্ডল জানান, আমাদের দুই দফার মধ্যে রয়েছে জেলার প্রধান ৫টি সড়ক থেকে সকল প্রকার অবৈধ যানবাহন বন্ধ ও মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা সড়কে সরাসরি বাস চলাচলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দাবি দুটি পূরণ না হলে ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে জেলার সকল রুটে লাগাতার পরিবহন ধর্মঘট পালন করা হবে।

জরুরী সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সহ-সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক একেএম মঈন উদ্দিন, জেলা বাস ট্রাক শ্রমিক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি এম জেনারেল ইসলামসহ মালিক শ্রমিক ঐক্য গ্রুপের বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।









Leave a reply