অস্বস্তিতে প্রবাসি বাংলাদেশিরা; পুরো কমিউনিটিকে দায়ী না করার আহ্বান

|

নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে বোমা হামলায় সন্দেহভাজন আকায়েদ উল্লাহকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। জেরুজালেমকে রাজধানী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি তাকে বোমা হামলায় উদ্বুদ্ধ করেছে বলে পুলিশকে সে জানিয়েছে। একে সন্ত্রাসী হামলা আখ্যা দিলেও, নিউইয়র্কের মেয়র জানান, তার সাথে নেই অন্য কারো সংশ্লিষ্টতা। বিল ডি ব্লাজিও বলেন, ‘এটা স্পষ্টভাবেই সন্ত্রাসী হামলা। তবে, হামলাকারীর সাথে অন্য কারও যোগাযোগ না থাকায়, তার পরিকল্পনা সফল হয়নি। নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পেরেছে।

হামলার পর, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে চলছে বাংলাদেশে আইএস’র কর্মকাণ্ড বিষয়ক আলোচনা। জানা গেছে, আকায়েদের বাড়ি বাংলাদেশের সন্দ্বীপে। ৭ বছর আগে সে ‘F-43’ ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে যায়। মা ও ভাই-বোনসহ থাকেন ব্রুকলিনে।

এদিকে, সন্ত্রাসী হামলায় বাংলাদেশির সম্পৃক্ততার অভিযোগে উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীরা। হামলার নিন্দা জানিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশন-বাপা বলেছে, একজনের জন্য গোটা কমিউনিটিকে দোষ দেয়া উচিৎ হবে না।

বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শামসুল হক বলেন, বাংলাদেশি আমেরিকানরা সবসময় এ দেশের নিরাপত্তা-নীতিমালার ব্যাপারে সচেষ্ট। বাংলাদেশিদের মাধ্যমে কোন ধরনের ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড ঘটুক, সেটা কখনোই চাইবো না আমরা। তাই, যেকোন অপরাধ তৎপরতা চোখে পড়লেই কল করুন আমাদের হটলাইনে। আমরা বিশ্বাস করি, সন্ত্রাসীরাই হামলার মতো ঘৃণ্য অপরাধ করতে পারে; কোন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষের পক্ষে সেসব করা অসম্ভব।

এসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি হুমায়ুন কবীর বলেন, মাত্র একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত নাগরিকের অপরাধ দিয়ে গোটা কমিউনিটিকে যাচাই করা ঠিক হবে না। প্রবাসী বাংলাদেশিরা শান্তিপূর্ণভাবে এখানে বাস করতে ইচ্ছুক। তাই, এধরণের অপরাধের তীব্র নিন্দা জানাই আমরা। উপস্থিত নিউইয়র্কের এসেম্বলি ম্যান, সিটির উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও মূলধারার রাজনীতিকরা দেন আতংকিত না হওয়ার পরামর্শ।









Leave a reply