গণনা চলছে জি কে শামীমের বাসায় পাওয়া বিপুল পরিমাণ টাকা

|

যুবলীগ নেতা জি কে শামীমকে তার ছয় দেহরক্ষীসহ নিজের বাসা থেকে আটক করেছে র‍্যাব। আজ শুক্রবার দুপুরে নিকেতনের অফিস থেকে তাকে আটক করা হয়।

শামীমকে আটকের পর তার বিশাল বিলাসবহুল বাসায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা, অস্ত্র, মাদক ও অন্যান্য অবৈধ জিনিস পেয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মিলে সেগুলোর পরিমাণ কত হিসেব-নিকেশ করছেন। বাসা থেকে উদ্ধার করা টাকা গণনা চলছে। এখনও প্রকৃত পরিমাণ সম্পর্কে ধারণা দিতে পারেননি অভিযানকারীর।

এর আগে বেলা সাড়ে ১২টার পর থেকে ওই গুলশানের ওই বাসায় অভিযান চালায় র‍্যাব। বাসাটিকে একই সাথে অফিস হিসেবেও ব্যবহার করতেন যুবলীগ নেতা শামীম।

শারিরীক গঠনে ছোটখাটো হলেও শামীমের ক্ষমতার দাপট আকাশসমান। রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় জি কে শামীম প্রভাবশালী ঠিকাদার হিসেবেই পরিচিত। গণপূর্ত ভবনের বেশির ভাগ ঠিকাদারি কাজই তিনি নিয়ন্ত্রণ করেন। বিএনপি-জামায়াত শাসনামলেও গণপূর্তে এই শামীমই ছিলেন ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তি।

একসময়ের যুবদল নেতা ক্ষমতার পরিবর্তনে হয়ে যান যুবলীগ নেতা। নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতিও তিনি।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সন্মানদী ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত মো. আফসার উদ্দিন মাস্টারের ছেলে শামীম। আফসার উদ্দিন মাস্টার ছিলেন হরিহরদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিন ছেলের মধ্যে জি কে শামীম মেজো।









Leave a reply