জুয়া নিষিদ্ধ কিন্তু শুল্ক দিয়ে আমদানি করা যায় সরঞ্জাম!

|

এ যোনো তুঘলকি কাণ্ড। জুয়া নিষিদ্ধ কিন্তু শুল্ক দিয়ে আমদানি করা যায় সরঞ্জাম! বিস্ময়কর দ্বৈতনীতির সুযোগ নিচ্ছে মাফিয়ারা। বিভিন্ন দেশ থেকে ক্যাসিনো আর জুয়ার সরঞ্জাম এনেছে ২১টি প্রতিষ্ঠান। এখন আবার তাদের খুঁজছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, এনবিআর।

আইনশৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনীর সাম্প্রতিক অভিযানে রাজধানী সহ বিভিন্ন স্থানে মিলছে একের পর এক ক্যাসিনোর সন্ধান। ক্লাবের আড়ালে ক্যাসিনোর রমরমা জগত দেখে বিস্মিত সবাই।

প্রশ্ন উঠেছে, ক্যাসিনোর এতো সরঞ্জাম কখন কোত্থেকে কিভাবে এসেছে, এনেছেই বা কারা ? অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তালিকা মতে, ২০১৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত ঘোষণা দিয়ে চীন থেকে ক্যাসিনোর সরঞ্জাম আমদানি করেছে ৫টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে রয়েছে ক্যাসিনো গেম টেবল, কয়েন, চিপস, রোলেট টেবলসহ নানা সরঞ্জাম।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অন্য একটি তালিকায় দেখা যায়, একই এইচএসকোড ব্যবহার করে গেল ৩ বছরে এ ধরণের সরঞ্জাম এনেছে আরও ১৬ টি প্রতিষ্ঠান।

কাস্টমস ট্যারিফ বুকে দেখা যায়, ক্যাসিনোর সরঞ্জাম আমদানি বৈধ। প্রযোজ্য শুল্ক করও নির্ধারিত। নির্ধারিত এইচ এস কোডে প্রায় ৫৮ শতাংশ শুল্ককর পরিশোধ করে অবাধে এসব সরঞ্জাম আমদানি করছেন ঘুরেফিরে ২০/২১ টি প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ এর ২ ধারা অনুসারে যে কোন ধরণের জুয়া নিষিদ্ধ। ১৮৬৭ সালে প্রণীত জুয়া আইনেও সব ধরণের জুয়াকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এরপরও ক্যাসিনোর সরঞ্জাম আমদানির সুযোগ থাকা বিভ্রান্তিকর, বলছে আমদানি রফতানি দফতর।

আমদানি করা ক্যাসিনো সরঞ্জাম ক্লাব, হোটেল ছাড়াও আর কোথায়, কিভাবে ব্যবহার হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখার পরার্মশ সংশ্লিষ্টদের।









Leave a reply