দরজায় কড়া নাড়ছে রংপুর সিটি নির্বাচন

|

আজ মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে রংপুর সিটি নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা। তাই চলছে শেষ মুহূর্তের গণসংযোগ। প্রার্থী-ভোটারসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রায় সকলেই বলছে, বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা আর অভিযোগ থাকলেও শান্তিপূর্ণ ভোটের আশা করছেন তারা। প্রস্তুত নির্বাচন কমিশনও।

প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় রংপুর সিটিতে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করে, সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থাহীনতা দূর করার কথা বলেছিলেন নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম।

ইসির এমন আশ্বাস আর প্রশাসনের নানা পদক্ষেপে কতটা আশ্বস্ত রংপুর সিটির ভোটাররা? নির্বাচন নিয়ে কী ভাবনা তাদের?

স্থানীয় ভোটারদের সাথে এ বিষয়ে কথা বললে তারা যমুনা নিউজকে জানায়, আগে ভোটের সময়ে নানা ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা যেত, গোলযোগ সৃষ্টি হতো, এবার তেমন কিছু চোখে পড়ছে না তাদের। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন ভোটের দিনও পরিবেশ ভালো থাকবে, ভোটাররা সুষ্ঠুভাবে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রয়োগ করতে পারবেন।

এরইমধ্যে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মেয়র প্রার্থীসহ কয়েকজনকে জরিমানা আর শোকজ নোটিশ দিয়ে ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়েছে নির্বাচন কমিশন। রিটার্নিং কর্মকর্তার দাবি, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে কমিশন।

রংপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার বলেন, আমরা সবার জন্য একটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রস্তুত করার চেষ্টা করেছি। প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘন হলে আমরা তাদের সতর্ক করেছি। ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পুলিশও বলছে, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। বাংলাদেশ পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, নির্বাচন ঘিরে কোনো অপশক্তি যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে বিষয়ে আমরা সদা তৎপর।

নির্বাচনী কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এমন ব্যক্তি আর সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, নির্বাচন ঘিরে কমিশন আর প্রশাসনের কার্যক্রম আরো দৃশ্যমান হওয়া উচিত।

রংপুর মহানগর সুজন’র সভাপতি খন্দকার ফখরুল আনাম বলেন, নির্বাচন কমিশন ও এর সাথে জড়িত সকল অর্গানকে আরও দৃশ্যমান করে তুলতে হবে। যেন ভোটারদের মাঝে ভোটের ব্যাপারে আরও স্বচ্ছতা ও আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

শেষ পর্যন্ত কেমন ভোট হবে-কার গলায় উঠবে জয়ের মালা, ২১ ডিসেম্বর রাতেই তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।

যমুনা অনলাইন: টিএফ









Leave a reply