সম্রাট-হুইপ শামসুলসহ ৫০ নেতার ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে দুদকের চিঠি

|

জাতীয় সংসদের হুইপ শামসুল হক চৌধুরী, যুবলীগের বহিস্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন সম্রাট, জি কে শামিম ও গণপূর্তের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলামসহ ৫০ জনের ব্যাংক হিসেবের তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দিয়েছে দুদক।

চলমান শুদ্ধি অভিযানের ধারাবাহিকতায় দুদক এই ৫০ জনের ব্যাংক হিসেবের তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দিলো। প্রতিষ্ঠানটি মনে করে এরমধ্য দিয়ে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলো দুদক।

এর আগে অনেকের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেয়াসহ ব্যাংক হিসেব জব্দেরও নির্দেশ আসে।

দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত একটি চিঠি বাংলাদেশ ব্যাংককে পাঠানো হয়েছে। সেখানে ক্যাসিনো কান্ডে অভিযুক্তদের লেনদেনের হিসাবের যাবতীয় তথ্য দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

যাদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন- জাতীয় সংসদের হুইপ ও চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শামশুল হক চৌধুরী, ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, যুবলীগ দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, বিসিবি পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়া, অনলাইন ক্যাসিনোর মূলহোতা সেলিম প্রধান, যুবলীগ দক্ষিণের যুগ্ম সম্পাদক ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদ, কৃষক লীগের সভাপতি শফিকুল আলম ফিরোজ, যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা জি কে শামীম, গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এনামুল হকসহ প্রমুখ।

প্রসঙ্গত ১৪ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির এক সভায় চাঁদা দাবির অভিযোগে ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও গোলাম রাব্বানীকে অপসারণের নির্দেশ দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি যুবলীগ নেতাদের বিষয়েও চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, যুবলীগের এক নেতা অস্ত্র উঁচিয়ে চলে। আরেকজন প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করে বেড়ায়।

এর পর গণমাধ্যমে যুবলীগ নেতাদের সংশ্লিষ্টতায় ঢাকার ৬০টি জায়গায় ক্যাসিনো পরিচালনার খবর প্রকাশ হয়। ১৮ নভেম্বর ফকিরাপুলের ইয়াংমেনস, ওয়ান্ডারার্স এবং গুলিস্তানে মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়া সংসদে অভিযান চালিয়ে ক্যাসিনোর সরঞ্জাম, বিপুল পরিমাণ মদ ও ৪০ লাখের বেশি টাকা উদ্ধার করে র‌্যাব। ক্যাসিনো পরিচালনার অভিযোগে ওই দিনই যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করা হয়, যিনি ইয়াংমেনস ক্লাবের সভাপতি ছিলেন।









Leave a reply