আত্মহত্যা করতে গিয়ে বোধোদয়, কিন্তু বাঁচতে দিলো না ট্রেন!

|

শারিরীকভাবে বেশ মোটাসোটা। এ নিয়ে বন্ধুমহল থেকে কখনো কখনো খোটা শুনতে হয়েছে। তাই উদ্যোগ নেয় ওজন কমানোর। কিন্তু কমাতে গিয়ে বেশি কমে যায়। এতে চেহারায় ছাপ পড়ে। এ নিয়ে মন খারাপ থাকতো স্কুল ছাত্রী ক্যাট মুলিন্সের। তার কাছে মনে হতো লোকজন তার চেহারা পছন্দ করবে না।

এরই মধ্যে স্কুলের পরীক্ষায় গ্রেড ভালো আসেনি। সব মিলিয়ে বেশ হতাশায় ডুবে যায় ১৬ বছর বয়সী বালিকা। এক পর্যায়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নেয় সে। আত্মহত্যা করবে।

গোপনে নিজের পরিকল্পনা মতে গিয়ে হাজির হয় একটি রেল স্টেশনে। ট্রেন আসার কিছুক্ষণ আগে নেমে দাঁড়িয়ে থাকে রেললাইনে। কিন্তু ট্রেন যখন কাছাকাছি চলে আসে, তখন তার বোধোদয় ঘটে। নাহ, আত্মহত্যা করবে না সে। চেষ্টা করে রেললাইন থেকে সরে দ্রুত প্লাটফর্মে ফেরার। ওদিকে লাইনের ওপর হঠাৎ মানুষ দেখে ট্রেনের গতি যথাসম্ভব কমিয়ে দেন চালক। চেষ্টা করছিলেন যাতে বাঁচানো যায় সামনের মেয়েটিকে।

কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে উভয়ের। রেললাইন থেকে আর প্লাটফর্মে উঠতে পারেনি ক্যাট। চালকও পারেননি মেয়েটির ওপরে ওঠে যাওয়ার আগে ট্রেনটি থামাতে। আর এমন মর্মান্তিকভাবেই প্রাণ হারায় এই স্কুলছাত্রী।

ঘটনার পুরো দৃশ্য সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে। আত্মহত্যা জন্য রেললাইনে দাঁড়ানোর পর ট্রেন আসছে দেখেই প্রাণপণ লাইন থেকে সরার চেষ্টা করছিল ক্যাট। কিন্তু দ্রুত গতির ট্রেন তাকে আর সেই সুযোগ দেয়নি।

যুক্তরাজ্যের বরনিমাউথ এলাকার এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাটিকে ‘মিসএডভেঞ্চারে মৃত্যু’ বলে রিপোর্ট দিয়েছে।

ক্যাটের মা ডোনা পুলিশকে জানিয়েছেন, ঘটনার কয়েক সপ্তাহ আগে সে মাকে বলেছিলো তার ইচ্ছা হয় নিজেকে গাড়ির নিচে ছুঁড়ে ফেলতে। যদিও পরে আবার সেই মাকে জানিয়েছিল নিজের ক্ষতি করার ইচ্ছা আর তার নেই।

সূত্র: ডেইলি মেইল।









Leave a reply