যুবলীগের কমিটিতে কারা আসছেন জানালেন শেখ পরশ

|

একের পর এক নানা বিতর্কে শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নাম জড়িয়ে পড়ায় ইমেজ সংকটে ভুগছিল যুবলীগ। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতেই এসেছে নতুন নেতৃত্ব। যুবলীগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এর প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মনির বড় ছেলে শেখ ফজলে শামস পরশকে। রাজনীতি থেকে দূরে থাকা শেখ পরশ শিক্ষকতা নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন। এখন দায়িত্ব নিয়েই কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি। সংগঠন গোছানোর গুরুদায়িত্ব পালন করাই যে বড় চ্যালেঞ্জ। সে চ্যালেঞ্জ পূরণে দৃঢ় প্রত্যয়ী শেখ পরশ। জানালেন, অভিযুক্ত কেউ তার সংগঠনে জায়গা পাবে না।

একটি গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, আমার মধ্যে একটা উদ্দীপনা কাজ করছে। আমার সুযোগ হয়েছে একটা পরিবর্তন আনার এবং কিছু করার।

যতদ্রুত সম্ভব যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবেন বলে জানান যুবলীগের নতুন চেয়ারম্যান। কমিটিতে কারা জায়গা পাবেন সে সম্পর্কেও ধারণা দিয়েছেন তিনি। বলেন, রাজনৈতিকভাবে যাদের মেধা আছে এবং অভিজ্ঞতা আছে তারা হয়তো সিস্টেমের অভাবে, সাংগঠনিক পরিচ্ছন্নতার অভাবে পিছিয়ে ছিল, তাদেরকে নির্ধারণ করতে হবে।

যাদের নামে অভিযোগ আছে তাদেরকে সরে দাঁড়াতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অভিযুক্তদের অব্যহতি দেওয়া হবে। দলীয় ফোরামে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নিবো কবে নাগাদ কমিটি দেওয়া যায় তবে অবশ্যই ত্যাগী ও সংগ্রামী নেতারা একটা জায়গা রাখবে।

সাবেক ছাত্রনেতারাও যুবলীগের কমিটিতে জায়গা পাবে বলে জানান শেখ পরশ। তিনি বিশ্বাস করেন যুবলীগ আরও শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়াবে। বলেন, ত্যাগী মনোভাব, কাজের গতি এবং দেশপ্রেম থাকলে এটা সম্ভব।

গত ২৩ নভেম্বর যুবলীগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান শেখ ফজলে শামস পরশ আর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মাঈনুল হোসেন খান নিখিল। ক্যাসিনোকাণ্ডে বিদায় নেয়া যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী হলেন পরশের ফুপা। পরশের ভাই শেখ ফজলে নূর তাপস আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য। তাদের চাচা শেখ ফজলুল করিম সেলিম আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। তিনিও যুবলীগের চেয়ারম্যান ছিলেন। শেখ পরশকে ঘিরে যুবলীগের নেতাকর্মীদের প্রত্যাশাটাও বেশি, কারণ তিনি যে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির পুত্র।









Leave a reply