পাইলট আর কেবিন ক্রুদের ভিসা কেমন?

|

প্রতিনিয়তই বিশ্বের এক প্রান্তের সাথে অন্য প্রান্তের যোগাযোগ রক্ষায় নিরবিচ্ছিন্ন দায়িত্ব পালন করে যায় উড়োজাহাজের পাইলট আর কেবিন ক্রুরা। বিভিন্ন দেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে উড়োজাহাজের যাত্রীদের পাসপোর্ট ভিসার প্রয়োজন হলেও পাইলট ও কেবিন ক্রুদের ক্ষেত্রে নিয়মটা একটু ভিন্ন।

পাইলট ও কেবিন ক্রুদের কোনও দেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে সাধারণ যাত্রীদের মতো ভিসার প্রয়োজন না হলেও সাথে পাসপোর্ট থাকা আবশ্যক। একইসঙ্গে ফ্লাইটে দায়িত্বরত প্রকৌশলীকেও ভিসা নিতে হয় না।

ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন (আইকাও) ও ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আএটিএ) নিয়মানুযায়ী পাইলট ও কেবিন ক্রুরা যে এয়ারলাইনসে কাজ করেন, সেই বিমান সংস্থা থেকে তাদের জন্য জেনারেল ডিক্লারেশন (জিডি) ইস্যু করা হয়। ইস্যুকৃত জিডিতে উড্ডয়নকারী বিমানে কতজন পাইলট ও কেবিন ক্রু ফ্লাইটে যাবেন তাদের নাম, জন্ম তারিখ, পাসপোর্ট নম্বর, ফ্লাইট নম্বর, গন্তব্যসহ প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখ থাকে।

সংশ্লিষ্ট দেশে অবতরণ করার পর সেই জিডি দেখানো হলেও তারা সেই দেশে প্রবেশের বৈধ অনুমতি পেয়ে থাকেন। তবে কয়েকটি দেশে পাইলট ও কেবিন ক্রুদের ভিসা নিতে হলেও তা সাধারণ যাত্রীদের মতো নয় বলে জানা যায়। যেমন চীনে পাইলট ও কেবিন ক্রুদের জন্য বিশেষ এক বছর মেয়াদী ভিসা ইস্যু করে থাকে।

কোন দেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে ঐ দেশের ইমিগ্রেশনে এয়ারলাইন কর্তৃক ইস্যুকৃত জিডির কপি ও পাসপোর্ট জমা দিলে সেখানকার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ পাইলট ও কেবিন ক্রুদের সেই দেশে প্রবেশের অনুমতি দিয়ে থাকে।

ইস্যুকৃত জিডি জমা দিয়ে কোন দেশে তিন দিন থাকা যায়, কোনও দেশে সাত দিন আবার কোনও দেশে ২১ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন পাইলটরা। তবে কোনও কারণে উড়োজাহাজ নষ্ট হলে বা পাইলট অসুস্থ হলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেয়ার অতিরিক্ত দিন থাকার অনুমতি দেয়া হয়।









Leave a reply