সোলাইমানির মৃত্যুর খবরে ইদলিববাসীর উল্লাস, মিষ্টি বিতরণ

|

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত হওয়ায় কয়েক হাজার সিরীয় নাগরিক মিষ্টি ও কেক বিতরণ করে উল্লাস প্রকাশ করেছেন। এদের বেশিরভাগই সিরিয়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বিদ্রোহীদের শেষ ঘাঁটি ইদবিলে আশ্রয় নিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই এখবর জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ইরানের রেভ্যুলিউশনারি গার্ডস কর্পসের (আইআরজিসি) অভিজাত শাখা কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ও তার সাত সহযোগী নিহত হন।

ইরানি জেনারেলের হত্যাকান্ডের পর শুক্রবারজুড়ে সিরিয়ার ইদলিবে উল্লাস করতে দেখা গেছে। অনেক সিরীয় আরবের মিষ্টি ও কেক বিতরণ করে সোলাইমানির মৃত্যু উদযাপন করেছেন।

ইদলিবে আশ্রয় নেয়া কয়েকজন সিরীয় গণমাধ্যমে বলেছেন, সোলাইমানির নির্দেশে সিরীয় সরকার সমর্থক বাহিনী বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত অনেক শহর ও নগর অবরোধ করে।

দামেস্ক থেকে ইদবিলে পালিয়ে আসা বুরহান বলেন, অবরুদ্ধ অবস্থায় আমরা বিড়াল খেয়ে বেঁচেছিলাম। অনেকে নিজেদের প্রাইভেট কারের বদলে সামান্য চাল কিনতে বাধ্য হয়েছে। সোলাইমানি ও তার মিলিশিয়াদের কারণে আমাদের অনেককেই না খেয়ে মরতে হয়েছে। তাই আমরা তার মৃত্যুতে খুশি।

সোলাইমানির নিহতের খবর শুনতে পেয়ে তিনি শিহরিত বলে জানিয়েছেন অপর এক বাস্তুচ্যুত মোহান্নাদ আল-ইয়ামানি। তিনি বলেন, আমরা আনন্দিত, কারণ অনেক সিরীয় মানুষের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালানোর পেছনে মূল ব্যক্তি এই ইরানি জেনারেল। তিনি অনেক শহরে সিরীয়দের ইচ্ছের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছেন। ইদলিব, আলেপ্পো, হোমস, এমনকি দামেস্কতে। শিশু ও নারীদের হত্যার তার বড় ভূমিকা রয়েছে। আল্লাহ তাকে শাস্তি দিয়েছেন।









Leave a reply