চুক্তি স্বাক্ষর ছাড়া মস্কো থেকে ফিরলেন হাফতার, ‘শিক্ষা দেয়ার’ হুঁশিয়ারি এরদোগানের

|

লিবিয়ান গৃহযুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধরত দুইপক্ষের আলোচনা আয়োজন করা হয়েছিল রাশিয়ার মস্কোতো। গতকাল সোমবার সেই আলোচনায় অংশ নেন লিবিয়ার বিদ্রোহী নেতা জেনারেল খলিফা হাফতার এবং দেশটির জাতিসংঘ স্বীকৃত সরকারের প্রধান ফায়েল আল সারাজ। আলোচনা শেষে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে উভয় নেতার স্বাক্ষরের কথা ছিল।

কিন্তু হাফতার তাতে স্বাক্ষর না করে মস্কো ত্যাগ করেন। এর জবাবে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান বলেছেন, হাফতার মস্কো থেকে পালিয়েছে চুক্তিতে স্বাক্ষর করা ছাড়াই। যদি এখন সে আবার লিবিয়ার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের ওপর হামলা শুরু করে তাহলে তাকে ‘শিক্ষা দেয়া’ থেকে তুরস্ক বিরত থাকবে না।

মঙ্গলবার এক বক্তৃতায় এরদোগান বলেন, চুক্তি স্বাক্ষর না করার পর এখন স্পষ্ট লিবিয়াতে কে যুদ্ধ চায় আর কে চায় না। সারাজের নেতৃত্বে লিবিয়ার স্বীকৃত সরকারকে মদদ দিচ্ছে তুরস্ক।

অন্যদিকে পরোক্ষাভাবে হাফতারকে মদদ দিচ্ছে রাশিয়া। এছাড়া আরব আমিরাত ও মিশর সরাসরি হাফতারের পক্ষে রয়েছে। গত কিছুদিন ধরে তুরস্ক এবং রাশিয়া বিবদমান উভয়পক্ষকে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করতে চেষ্টা করে যাচ্ছে।

সর্বশেষ চলতি সপ্তাহে মৌখিকভাবে যুদ্ধবিরতি ঘোষণাও করে উভয়পক্ষ। তবে মস্কোতে চুক্তি স্বাক্ষর না হওয়ায় নতুন করে একে অপরের ওপর হামলার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। খলিফা হাফতার চান সারাজের নিয়ন্ত্রণে থাকা রাজধানী ত্রিপোলি দখল করতে।









Leave a reply