পুঁজিবাজারকে চাঙ্গা করতে প্রধানমন্ত্রীর নতুন ৬ নির্দেশনা

|

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নতুন ৬ নির্দেশনা পুঁজিবাজারকে চাঙ্গা করবে। কিন্তু সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে আবারো ঝুঁকির মুখে পড়বে বাজার। তাই সাধারণ বিনিয়োগকারীরা এখন আর আশ্বাস না, বিএসইসিকে তৎপর দেখতে চান। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপকে ইতিবাচক বলছেন বিশ্লেষকরাও। তাদের মতে, বাজারে সুশাসন নিশ্চিত হলে বিদেশি বিনিয়োগ টানা কঠিন হবে না।

এক দশকের মাথায় আবারো বড় ধস দেখছে পুঁজিবাজার। ৩ দিন আগেই ডিএসই’র প্রধান সূচক নেমে যায় ভিত্তি পয়েন্টের নীচে। বড় করে দেখলে, দরপতনের ধাক্কায় গত এক বছরে বাজার থেকে হারিয়ে গেছে ১ লাখ কোটি টাকা। ফলাফল, পুলিশি বাঁধা উপেক্ষা করে রাজপথে বিক্ষোভে নামেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

এমন অবস্থায় বৃহস্পতিবার নিজের কার্যালয়ে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট সবাইকে ডেকে পাঠান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জরুরি নীতি নির্ধারণী সভায় দেন ৬ নির্দেশ। ঘোষণা আসে, শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ বাড়াবে রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংক। পাশাপাশি তালিকাভুক্ত হবে লাভজনক ও মানসম্পন্ন সরকারি-বেসরকারি কোম্পানি। সহজ শর্তে ঋণ পাবে মার্চেন্ট ব্যাংকসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান। সক্ষমতা বাড়িয়ে পুঁজিবাজারে তৎপর হতে হবে আইসিবিকে।

শেয়ারবাজারে দিন ফেরাতে বিএসইসি কতটা সক্ষম, গত ১০ বছরে এমন প্রশ্ন উঠেছে হরহামেশা। আসে প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বাড়ানোর পরামর্শও। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের পুঁজিবাজার নিয়ে সম্ভাবনা হারিয়ে যায়নি। দরকার শুধু সুশাসন।

বিপর্যয় ঠেকাতে পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়মিত মনিটর করবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।









Leave a reply