অর্থের সংকট কাটাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ উদ্যোগ

|

পুঁজিবাজারে অস্থিরতার জন্য দায়ী করা হয় সংকটকে। গতিশীল করতে বিশেষ তহবিল গঠনের দাবি ছিল ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের। এমন পরিস্থিতিতে অর্থের সংকট কাটাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিনিয়োগের জন্য প্রতিটি ব্যাংককে ২০০ কোটি টাকার তহবিল গঠনের সুযোগ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

এ তহবিল থাকবে নির্ধারিত বিনিয়োগ সীমার বাইরে। সেইসাথে এ উদ্যোগের ফলে টাকার যোগান বাড়বে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা, যা বাজারকে গতিশীল করবে। তবে স্বল্প সুদের এ ঋণ সুবিধা সাধারণ বিনিয়োগকারীদেরও দেয়া উচিৎ বলে মনে করেন তারা।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকের বিনিয়োগ নীতিমালায় শীতিলতা এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নির্ধারতি সীমার বাইরে প্রতিটি ব্যাংককে সুযোগ দেয়া হচ্ছে আরো ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের। ৫ বছর মেয়াদি এ তহবিল ব্যাংক নিজে অথবা কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েও গঠন করা যাবে। এ অর্থ ব্যবহারের বিষয়টিও ঠিক করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

৫ শতাংশ সুদে নেয়া এ অর্থ ৭ শতাংশে ঋণ দিতে পারবে ব্যাংক। তবে মার্চেন্ট ব্যাংক বা ব্রোকারেজকে দেয়া ঋণের পরিমাণ কোনভাবেই পরিশোধিত মূলধনের বেশি হতে পারবে না। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কোন সিকিউরিটিজের কি পরিমাণ শেয়ার কেনা যাবে তাও নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।

বিশ্লেষকরাও মনে করেন, এ উদ্যোগের ফলে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে শেয়ারবাজারে। প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সাধারণ বিনিয়োগকারীদেরও স্বল্প সুদের, এ ঋণ সুবিধার আওতায় আনার পরামর্শ তাদের।

বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে পুঁজিবাজারকে দীর্ঘ মেয়াদে স্থিতিশীল করতে লাভ জনক বহুজাতিক কোম্পানিকে তালিকাভুক্তিতে নজর দেয়ার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।









Leave a reply