আরব আমিরাতে ভ্যাট নিয়ে ভোক্তাদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া


নববর্ষ থেকে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) চালু হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। দেশটির ইতিহাসে এই প্রথম আরোপ করা হলো এই কর। ৫ শতাংশ ভ্যাট ধনী এই দেশটির মানুষের জীবনযাত্রায় তেমন প্রভাব না ফেললেও নাগরিকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। জিনিসপত্রের দাম অল্প বাড়লেও সেটাকে অতোটা পাত্তা দিচ্ছেন না পর্যটকরা।

তবে কিছু মুদি দোকানে হাতে লেখা ভ্যাটের অতিরিক্ত বিল ধরিয়ে দিতে চাইলে মৃদু বচসা হচ্ছে। যদিও কোথাও বড় কোন ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। বড় বাণিজ্যিক ব্র্যান্ড বা কোম্পানিগুলো প্রস্তুত ছিল এই পরিস্থিতির জন্য। তাই লেনদেন স্বাভাবিক দিনের মতই ছিল।

ল্যান্ডমার্ক গ্রুপ এবং পিওর গোল্ড নামের বড় কোম্পানিগুলো জানিয়েছে, পণ্যের দাম আগের মতই থাকবে। নতুন আরোপিত ভ্যাট এর ঘাটতি পণ্যের মূল্য থেকেই পুষিয়ে নেয়া হবে। এজন্য নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হবে না।

কিছু মুদি দোকানি জানিয়েছেন, আগের মজুদ থাকায় তারা আগের দামেই বিক্রি করছেন। মজুদ শেষ হলে মূল্য কিছুতা বাড়তে পারে।

আমিরাতের ডিপার্টমেন্ট অফ ইকনোমিক ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান সাইফ মোহাম্মদ আল হাজেরির মতে, ভ্যাট আরোপের প্রভাব পড়বে খুবই সামান্য। তিনি বলেন, ‘এতে নতুন করে আর্থিক ঝুঁকিতে পড়ার শঙ্কা নেই।’ দেশটির সরকার জানিয়েছে, ভ্যাট লেনদেন প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করবে।’

এ বছর ভ্যাটের মাধ্যমে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ১২ বিলিয়ন দিরহাম এবং আগামী বছর তা বেড়ে দাঁড়াবে ২০ বিলিয়ন দিরহাম হবে বলে আশা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের।

চার্টার্ড একাউন্ট অফ ইন্ডিয়ার আবুধাবি শাখা প্রধান সুরেশ চন্দ্র পানওয়ার বলছেন, ‘ছোট ব্যবসায়ীদের মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। আগে লেনদেনের সে রকম কোনো হিসাব না রাখলেও এখন থেকে তাদেরকে রাখতে হবে।’

 









Leave a reply