নরসিংদীতে দুইজন ‘হোম কোয়ারেন্টাইনে’

|

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ও আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে নরসিংদীর বেলাব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নবনির্মিত ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালকে আইসোলেশন সেন্টার ঘোষণা করা হয়েছে। এখানে ১০০ শয্যার ব্যবস্থা রাখা হবে। এছাড়া নরসিংদীর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতাল গুলোতে বিভিন্ন পর্যায়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নরসিংদীর প্রধান দুটো চিকিৎসা কেন্দ্র জেলাও সদর হাসপাতালসহ সবগুলো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আলাদা আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পরিস্থিতি অনুযায়ী সর্বোচ্চ সেবা দিতে জেলার সরকারি হাসপাতাল গুলো প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন নরসিংদীর সিভিল সার্জন ডা.মোহাম্মদ ইব্রাহিম টিটন। এছাড়া সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রবাস ফেরত ব্যক্তিদের বিষয়ে সতর্কতামূলক নজরদারি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন।

তবে নরসিংদীর সদর ও রায়পুরা উপজেলায় করোনা ভাইরাস সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে রাখার খবর পাওয়া গেছে। কোয়ারেন্টাইনে থাকা ওই দুই ব্যক্তিই গত এক সপ্তাহ আগে ইতালি থেকে দেশে ফিরেছেন। ওই দুজনের শরীরে কোন উপসর্গ দেখা দেয় কিনা তা যাচাই করার জন্যই কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম টিটন।

কোয়ারেন্টাইনে থাকা ওই দুই ব্যক্তি হলেন, নরসিংদী সদর উপজেলার উত্তর শিলমান্দীর মো. সামসুদ্দীনের ছেলে সজন মিয়া (৪১) ও রায়পুরা উপজেলার পাড়াতলী গ্রামের শাহমরতুজ আলীর ছেলে সুমন মিয়া (২৬)।

চিকিৎসকরা জানান, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় করণীয় ঠিক করতে গত বুধবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রথম বৈঠকে বসেন উর্দ্ধতন চিকিৎসক ও সরকারি কর্মকর্তারা। ওই বৈঠকে জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইনকে আহবায়ক ও সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম টিটনকে সদস্য সচিব করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা পর্যায়ের কমিটি করা হয়। তার পরই দুটি প্রধান হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের প্রধান করে রেপিড রেসপন্সটিম গঠন করা হয়। এই কমিটির কাজ হল, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোন রোগীর সন্ধান পেলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া। এছাড়া ১৫ দিন আগে থেকেই প্রতিটি হাসপাতালে অন্তত ৫টি করে বেড নির্দিষ্ট করে আইসোলেশন ইউনিট গঠন করা হয়েছে।









Leave a reply