‘ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে জিডি না নেয়ার বিষয় খতিয়ে দেখা হবে’

|

তরুণীকে জোর করে তুলে নিয়ে বিয়ে করার অভিযোগ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ করায় যমুনা টেলিভিশন ও দৈনিক যুগান্তরের দুই সাংবাদিককে হত্যার হুমকি দেন ডিএমপির সদ্য প্রত্যাহার করা অতিরিক্ত কমিশনার ডিআইজি মিজানুর রহমান। হুমকির রেকর্ড পুলিশের কাছে সরবরাহ করে মিজানের বিরুদ্ধে দুই সাংবাদিক জিডি করতে গেলে তা গ্রহণ করেনি পুলিশ। এতে ভুক্তভোগীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
কেন জিডি নেয়া হচ্ছে না- এ বিষয়ে আজ রোববার প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।এর আগে গতকাল শনিবার ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াও একই কথা বলেছিলেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আইনের হাত অনেক লম্বা। কেন নেয়া হচ্ছে না তা খতিয়ে দেখা হবে।


একজন অফিসারের বিরুদ্ধে থানায় জিডি না নিলে অভিযোগকারী আদালতে যেতে পারেন বলেও ডিএমপি কমিশনার মন্তব্য করেন।

 

গত ১৪ জুলাই রাজধানীর পান্থপথ এলাকা থেকে মিজান কর্তৃক এক তরুণীকে উঠিয়ে নিয়ে নেয়া এবং পরে জোরপূর্বক ও নির্যাতন সংক্রান্ত খবর যমুনা টেলিভিশন ও দৈনিক যুগান্তরে নানা প্রমাণ সহকারে প্রচারিত ও প্রকাশিত হয়। এতে ক্ষুব্ধ ডিআইজি মিজান যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ তুহিন ও দৈনিক যুগান্তরের সিনিয়র রিপোর্টার নেসারুল হক খোকনকে ফোনে হত্যার হুমকি দেন। সেই হুমকির অডিও রেকর্ড ইতোমধ্যে যমুনা টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছে।

এরপর নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা সাংবাদিকরা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ তা নেয়নি। ডিআইজি মিজানকে পুলিশ সদর দপ্তরে প্রত্যাহার করা হলেও গত এক সপ্তাহে তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। উল্টো নিজের প্রভাব খাটিয়ে ভু্ক্তভোগী মেয়ের পরিবারকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।









Leave a reply