ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী যা যা করণীয়

|

আম্পানের তাণ্ডব দেশের বিভিন্ন এলাকার উপর দিয়ে গেছে। এখন সবচেয়ে বড় কাজ হলো ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা। আসুন জেনে নেই ঘূর্ণিঝড়ের পরবর্তী করণীয়।

আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি
১.ঝড় একটু কমলেই ঘর বা আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বের হবেন না। পরে আরো প্রবল বেগে অন্যদিক থেকে ঝড় আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই জেনে নিন ঝড়ের অবস্থা কি। তারপর বের হবেন।
২. আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরতে সহযোগিতা করা। প্রয়োজন পড়লে নিজের বাড়ি বা গ্রামে তাদের আশ্রয় দিন।
৩. ঘূর্ণিঝড়ে রাস্তাঘাটের ওপর উপড়ে পড়া গাছপালা সরিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করা। যাতে তাড়াতাড়ি সাহায্যকারী দল আসতে পারে এবং দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্ভব হয়।
৪. বাড়ি ফিরেই ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িতে ঢুকবেন না। দেখে নিন নিরাপদ কিনা।
৫. ছিঁড়ে পড়ে থাকা বৈদ্যুতিক তারে হাত দেবেন না।
৬. আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে সহযোগিতা করুন।
৭. ছোট ছোট দল গঠন করে নিজ এলাকায় নিজেরাই কাজে লেগে পরুন।
৮. নিয়মিত আবহাওয়ার খবরে চোখ রাখুন।
৯. গবাদি পশুদের বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া।

খাবারের ক্ষেত্রে
১. রান্না করা সম্ভব নাও হতে পারে তাই শুকনা খাবারের ব্যবস্থা করা।
২. কোনমতেই বন্যার দূষিত পানি পান করা যাবে না। বিশুদ্ধ পানি খাবারের ব্যবস্থা করা, বৃষ্টির পানি ধরে রাখুন।
৩. শিশুদের খাবারের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা।

স্বাস্থ্যগত করণীয়
১. বন্যার পানিতে গোসল করা, জামা-কাপড় ধোয়া যাবে না।
২. বাড়ির আঙ্গিনা থেকে ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করা
৩. পয়নিষ্কাশনপ্রণালী মেরামত করা।
৪. বৃদ্ধ, শিশু, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও গর্ভবতী মহিলাদের উপর বিশেষ নজর দেয়া।

টেকসই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় করণীয়
১. বন্যা দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলের মানুষের মধ্যে ন্যায্যতা অনুযায়ী ত্রাণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করণ।
২.কৃষি ও কৃষকে বাঁচাতে বিনামূল্যে কৃষিবীজ বিতরণ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ সরবরাহ করা
৩. বন্যাপরবর্তী পুনর্বাসনকে ত্বরান্বিত করতে ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবস্থ করা।
৪. বানভাসি মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা
৫. অপরাধকর্ম প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার ব্যবস্থা।









Leave a reply