আখাউড়ায় করোনা আতঙ্কে হাসপাতাল রোগী শূন্য!

|

আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

আখাউড়া প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় জুয়েল (২৫) নামে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এক রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করতে যায়। এ খবর হাসপাতালের অন্য রোগীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই করোনা আতঙ্কে রোগী শূন্য হয়ে পড়ে হাসপাতাল।

সোমবার সন্ধ্যার দিকে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, হাতেগোনা ক’জন রোগী আছেন যারা অতি দুস্থ পরিবারের। সামর্থ্যবানরা পারিবারিকভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন নিজ বাড়িতে।

এ সময় দেখা গেছে, বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগসহ পুরো হাসপাতাল ফাঁকা। করোনাভাইরাস সংক্রমণ আতঙ্কে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে ওয়ার্ডে কর্তব্যরত একজন নার্স জানিয়েছেন।

জানা গেছে, আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের আইড়ল গ্রামের জুয়েল মিয়া (২৫) নামে এক যুবক গাজীপুরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। ওই কারখানার অনেকে অসুস্থ হলে তিনি সন্দেহবশত ২৪ মে নমুনা পরীক্ষা দিয়ে ছুটিতে বাড়িতে চলে আসেন। সোমবার সন্ধ্যার দিকে তাকে মোবাইল ফোনে জানানো হয় তিনি করোনায় আক্রান্ত। পরে তিনি আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে যান। এ খবর হাসপাতালে থাকা অন্য রোগীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা করোনা ভয়ে পালিয়ে যায়।

আখাউড়া হাসপাতালের নার্সিং সার্ভিসের ওয়ার্ড ইনচার্জ সাফিয়া আফ্রিন স্বর্ণা যমুনা টেলিভিশন অনলাইনকে জানান, হাসপাতালে সোমবার ১৯ জন রোগী ছিলো। হাসপাতালে করোনা রোগী আসছে এমন আতঙ্কে যারা ভর্তি ছিলেন সবাই পালিয়ে যায়। অবশ্য সকালে ৫ জন রোগী ফিরে আসলেও অন্যরা মোবাইল ফোনে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

আখাউড়া থানার ওসি রসুল আহমদ নিজামী সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত জুয়েলকে তার নিজ বাড়ি থেকে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইসোলেশনে নিয়ে যায় উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ।









Leave a reply