তমা কনস্ট্রাকশনের বিরুদ্ধে এন-৯৫ মাস্ক কম দেয়ার অভিযোগ

|

তমা কনস্ট্রাকশনের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে (সিএমএসডি) সরবরাহ করা মাস্কের প্রতিটি লটে কম দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানির পর মাস্ক কম থাকার বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে তমা কনস্ট্রাকশনকে চিঠিও দিয়েছে সিএমএসডি।

সিএমএসডি কর্তৃপক্ষ জানায়, গত মাসের দুই তারিখে তিন লক্ষ পিস এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহের কার্যাদেশ পায় তমা কনস্ট্রাকশন। উক্ত কার্যাদেশের বিপরীতে চলতি মাসের দুই তারিখে ২শ ৫২ কার্টুনে (প্রতি কার্টুনে ১২ বক্স, প্রতি বক্সে ২০ পিস মাস্ক) মোট ৬০ হাজার ৪৮০ পিস মাস্ক এবং আট তারিখে ১শ ১১ কার্টুনে মোট ২৬ হাজার ৬৪০ পিস সহ সর্বমোট ৮৭ হাজার ১২০ পিস মাস্ক সরবরাহ করে।

সরবরাহকৃত মাস্ক সংখ্যায় কম থাকতে পারে এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সংস্থার দায়িত্ব প্রাপ্ত সদস্যরা নজরদারি বৃদ্ধি করে। ১০ জুন তারা আবার ৪শ ২০ কার্টুনে মোট ১ লাখ ৮শ মাস্ক সরবরাহ করতে আসলে সংস্থার সদস্যরা তমা কনস্ট্রাকশনের পিকআপ ভ্যান আটক করে। সেখানে দৈব চয়ন পদ্ধতিতে মাস্কের ২০টি কার্টুন তল্লাশি করে। যেখানে পাঁচটি কার্টুনে এক-দুটি করে বক্স কম পাওয়া যায়, যার প্রতিটি বক্সে ২০ টি করে মাস্ক থাকে বলে জানায় সিএমএসডি।

বিষয়টি সিএমএসডি কর্তৃপক্ষে জানালে তারা তমা কনস্ট্রাকশনের প্রতিনিধি মোঃ মতিউর রহমানকে ডেকে পাঠায়। মতিউর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের পর মাস্ক কম থাকার বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে তমা কনস্ট্রাকশনকে চিঠিও দিয়েছে সিএমএসডি।

এদিকে গতকাল বুধবার কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের ডেস্ক অফিসার (স্টোর) ডা. সাব্বির আহমেদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ‘চালান অনুযায়ী আপনাদের প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া ১ লাখ ৮শ পিস এন-৯৫ মাস্ক গ্রহণ করার সময় দৈব চয়নের ভিত্তিতে পর্যবেক্ষণে মাস্ক কম পাওয়া যায়। এভাবে কার্টুনে বক্স না থাকলে আনুপাতিক হারে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মাস্ক কম পাওয়া যাবে, যা অনভিপ্রেত ও চুক্তি-শর্ত লঙ্ঘন। এ কারণে প্রাথমিকভাবে মালামাল গ্রহণ করা হল না।’


সম্পর্কিত আরও পড়ুন




Leave a reply