নেতাদের অতিকথনে বিব্রত আওয়ামী লীগ (ভিডিও)

|

তৃণমূল থেকে কেন্দ্র বিভিন্ন পর্যায়ে নেতাদের অতি কথনে খুব একটা স্বস্তিতে নেই আওয়ামী লীগ। বরং ‘দল বিব্রত’ এমনটাই জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন নেতারা। বলেছেন, নিজ স্বার্থে দায়িত্বশীলদের এমন আচরণ সংগঠনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এতে কেবল ষড়যন্ত্রকারী আর সমালোচকরাই লাভবান হবে। সম্প্রতি ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের আচরণে এমন মত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের।

রাজনীতির মাঠে প্রকৃত বিরোধীদল যখন অনেকটাই নিস্ক্রিয়; তখন হঠাৎ করেই উত্তাপ ছড়াচ্ছে খোদ ক্ষমতাসীন দল। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের ছোট ভাই তার সংসদীয় এলাকাতেই ক্রমাগত দলের সমালোচনা করেছেন। যার রেশ না কাটতেই খোদ রাজধানীতে মুখোমুখি দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আর ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র।

বসুরহাট পৌরসভার এই মেয়রের দাবি সবশেষ জাতীয় নির্বাচনে নোয়াখালীর কিছু আসনে অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে। সুষ্ঠ ভোট হলে আওয়ামী লীগের অনেক সংসদ সদস্যই পাস করতো না।

নিজ আসনে পরিবারের সদস্যের এমন কান্ডে সরাসরি বক্তব্য নেই দলের সাধারণ সম্পাদকের। তবে অন্য নেতাদের এমন ঘটনা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।

আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ বলেন, দলের কোনো পর্যায়ের নেতা-কমীরা যদি বিতর্কিত কর্মকাণ্ড বা কথায় জড়িয়ে যায় তাহলে সেটি আমাদের জন্য বিব্রতকর।

আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম বলেন, সুখকর বা স্বস্তিকর জায়গায় আমরা নেই। দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে ইচ্ছেমতো মনের মাধুরি মিশিয়ে কথা বলার সুযোগ নেই।

ঘটনার শেষ এখানেই নয়,রাজধানীর অবৈধ দোকান উচ্ছেদ ঘিরে মুখোমুখি দক্ষিণ সিটির সাবেক মেয়র সাঈদ খোকন ও বর্তমান মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। খোকনের দাবি, তাপস মেয়র পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন। এর জবাবে তাপসও ছেড়ে কথা বলেননি।

নিদ্দিষ্ট কারও নাম উল্লেখ না করলেও এমন ঘটনায় বিরক্ত দলের হাইকমান্ড। মাহাবুবউল আলম হানিফ বলেন, সবার দায়িত্বশীল থাকা উচিত। আমরা যদি নিজেরা জড়িয়ে যাই, তাহলে দলতো বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়বে।

আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম মনে করেন, এতে দলের পাশাপাশি গণতন্ত্রকেও ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। এতে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, ষড়যন্ত্রকারীরা উৎসাহিত হবে।

তবে, এমন কাণ্ড যারা ঘটাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে দল কোনো ব্যবস্থা নেবে কিনা তা স্পষ্ট করেননি আওয়ামী লীগ নেতারা।









Leave a reply