চুরির উদ্দেশ্যেই খুন করা হয় মা-মেয়েকে

|

চুরির উদ্দেশ্যেই খুন করা হয় মা-মেয়েকে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার দিগাম্বর বাজারে চুরির উদ্দেশ্যেই গৃহবধূ অঞ্জলি মালাকারকে গলা কেটে হত্যা করে প্রতিবেশী আমির হোসেনসহ ৩ জন। এ সময় ৮ বছর বয়সী মেয়ে পূজা দাস ঘুম থেকে জেগে ওঠায় তাকেও গলা কেটে হত্যা করা হয়। আদালতে এমন স্বীকারোক্তি দিয়েছে গ্রেফতারকৃত আমির হোসেন। এ ঘটনায় জড়িত মনির মিয়া নামে আরো একজনকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা। তিনি জানান, অঞ্জলি মালাকারের স্বামী সঞ্জিত দাস ব্যবসায়িক কাজে সুনামগঞ্জ থাকায় গত ১৭ মার্চ রাত ২টার দিকে ২ সহযোগীসহ অঞ্জলি মালাকারের ঘরে ঢুকে আমির। এ সময় মা-মেয়েকে হত্যা করে ঘরে থাকা ১ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা, স্বর্ণের বালা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায় তারা। পরে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে আমির নিজেই তার হাতে কাটা দাগ তৈরি করে বাড়ির পাশে জমিতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকার ভান করে।

পরদিন সকালে স্থানীয় লোকজন নিহত মা-মেয়ের লাশের পাশাপাশি আমিরকেও অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পায়। পরে স্থানীয়রা আমিরকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করে। এদিকে নিহত অঞ্জলি মালাকারের স্বামী সঞ্জিত দাস বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে বাহুবল থানায় মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আমির হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে পুরো ঘটনা স্বীকার করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আজ সহযোগী মনির মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। বিকেলে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা হকের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় আমির হোসেন।

পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাহুবল-নবীগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরী, বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।









Leave a reply