লকডাউনে ব্যাংক খোলা, সীমিত পরিসরে হবে লেনদেন

|

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে দেশের সকল ধরনের ব্যাংকিং সেবা সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনাভাইরাসে সংক্রমণের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং সেবা চালু রাখা হবে। বাংলাদেশ সরকার এর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আলোচনায় আগামী ৫ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ব্যাংকিং ব্যবস্থা সীমিত পরিসরে চালু রাখার বিষয়ে নিম্নোক্ত নির্দেশনা জারি করা হলাে:

১. ৫ এপ্রিল হতে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত দৈনিক ব্যাংকিং লেনদেনের সময়সূচি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২:৩০ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হলাে। এক্ষেত্রে লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা এবং প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ প্রয়োজনে অপরাহ্ন ২টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

২. ৫ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত লেনদেন চলাকালীন সময়ে:
ক) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও শাখাসমূহে জরুরি ব্যাংকিং সেবা প্রদান অব্যাহত/নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় জনবলের বিন্যাস ও উপস্থিতির বিষয়টি ব্যাংক স্বীয় বিবেচনায় সম্পন্ন করবে। এক্ষেত্রে শাখার নিকটবর্তী স্থানে বসবাসরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের উপস্থিতির বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা যেতে পারে। জনস্বার্থে ব্যাংকিং সেবা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি কর্মকর্তা/কর্মচারীদের উপস্থিতি ও অফিসের কর্মপরিবেশে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ সংক্রান্ত সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা যথাযথভাবে পরিপালনের বিষয়টিও নিশ্চিত করবে।

খ) গ্রাহকদের হিসাবে সর্বপ্রকার জমা এবং উত্তোলন, ডিমান্ড ড্রাফট/পে-অর্ডার ঈস্যু ও ওমা গ্রহণ, ট্রেজারি চালান গ্রহণ, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের আওতায় প্রদত্ত ভাত/অনুদান বিতরণ, বৈদেশিক রেমিট্যান্সের অর্থ পরিশোধ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তঃশাখা অর্থ স্থানান্তর, এনআরবি বন্ডে এবং বিভিন্ন প্রকার জাতীয় সঞ্চয় সার্টিফিকেটের মেয়াদপূর্তিতে নগদায়ন ও কুপনের অর্থ পরিশোধ, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ইউটিলিটি (যথাঃ পাস/পানি/ বিদ্যুৎ/টেলিফোন) বিল গ্রহণসহ বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক চালু রাখা বিভিন্ন পেমেন্ট সিস্টেমের/বিরিং ব্যবস্থার আওতাধীন অন্যান্য লেনদেন সুবিধা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।









Leave a reply