দ্রুত বিচার আইনে শাস্তি বাড়ল

|

দ্রুত বিচার আইন সংশোধন করে শাস্তির মেয়াদ বাড়ানোর বিলটি সংসদে কোনো ধরনের বিরোধিতা ছাড়াই পাস হয়েছে। এর ফলে বহুল আলোচিত আইনটিতে অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ৫ বছর থেকে বেড়ে ৭ বছর হল।

এছাড়াও এই আদালতে ‘বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিষ্টেট’ নিয়োগের ক্ষমতা পেল সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল রোববার সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন। কোনো বিরোধিতা ছাড়াই তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

এর আগে বিলের উপর দেওয়া জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাবগুলো নাকচ হয়। সাধারণত বিরোধী দল জাতীয় পার্টি বিলের উপর সংশোধনী প্রস্তাব দেয়। তবে এ বিলের উপর দলটির কোনো সংসদ সদস্য কোনো সংশোধনী প্রস্তাব দেননি।

জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর জন্য জাতীয় পার্টির ছয়জন এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজী নোটিস দিলেও পাঁচজন ছিলেন অনুপস্থিত। উপস্থিত দুজনের প্রস্তাব মন্ত্রী গ্রহণ না করলে তা কণ্ঠভোটে নাকচ হয়।

গত ২২ জানুয়ারি ‘আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) আইন- ২০১৮’ সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল। তখন বিলটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দিতে সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছিল। সংসদীয় কমিটি গত ২৮ জানুয়ারি বিলের প্রতিবেদন সংসদে জমা দেয়।

বিলে ২০০২ সালের এ সংক্রান্ত আইনের ৪(১) ধারা সংশোধন করে শাস্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ওই ধারায় ‘আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ’ এর জন্য এতদিন সর্বনিম্ন দুই বছর এবং সর্বোচ্চ পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ডের বিধান ছিল।  সাজার মেয়াদ বাড়িয়ে সর্বনিম্ন দুই বছর ও সর্বোচ্চ সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড করা হয়েছে, অর্থদণ্ডের বিধান থাকছে। আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি ‘আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ’ করলে দ্রুত বিচার আইনে তার বিচার হবে।









Leave a reply