ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আদম ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা করায় হত্যার অভিযোগ

|

অভিযুক্ত রমজান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আদম ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা করার ৩ দিন পর খুন হয়েছেন কাদির নামে এক ব্যক্তি। তার এই হত্যাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে রহস্য। খুন হওয়ার তিন দিন আগে আদম ব্যবসায়ী রমজানের বিরুদ্ধে পাসপোর্ট আটকে রাখার মামলা করেছিলেন কাদির। এরই জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।

স্বজনরা জানান, দুই বছর আগে রমজানের মাধ্যমে ইরাক যান কাদির। এজন্য তিন লাখ টাকাও দিয়েছে সে। তবে বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পরই তাকে গ্রেফতার করে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। পরে কাদির ওই টাকা দাবি করলে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। এক পর্যায়ে কাদির মামলা করলে তিন দিন পরই তিনি খুন হন।

নিহত কাদিরের ছেলে বলেন, মৃত্যুর আগে আহত অবস্থায় কাদির রমজান, রমজানের ছেলে, সাত্তার মিয়া, তানা মিয়াসহ পাঁচ-ছয় জনের নাম উল্লেখ করেছিলেন।

তবে অভিযুক্ত রমজানের স্ত্রী দাবি করছেন, নিহত কাদির বা তার পরিবারের সাথে রমজানের কোনো দ্বন্দ্ব ছিলো না। রমজানকে ফাঁসানোর জন্য তারা চক্রান্ত করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অভিযুক্ত রমজানকে ধরতে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহীন বলেন, অভিযুক্ত সন্দেহভাজন রমজানকে গ্রেফতারে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। একটু সময় লাগলেও খুব শীঘ্রই অভিযুক্তকে গ্রেফতারের ব্যাপারে তারা আশাবাদী।









Leave a reply