মুশফিককেও ফেরালেন লায়ন

|

চট্টগ্রাম টেস্টার দ্বিতীয় দিনের শুরুতে আবারও আঘাত হেনেছেন অজি স্পিনার ন্যাথান লায়ন। ফিরিয়েছেন টাইগার অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে। শেষ খবর পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ২৮৯ রান।

দলীয় সংগ্রহে আজ ১২ রান যোগ করার পর ভাঙে মুশফিক-নাসিরের মূল্যবান ৪৩ রানের জুটি। লায়নের একটি বল রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেললেও বল গড়িয়ে এসে আঘাত করে স্ট্যাম্পে। ৬ষ্ঠ উইকেটের দেখা পান অজি অফ স্পিনার। তবে মেহেদি মিরাজকে সাথে নিয়ে নাসির দলের সংগ্রহ ৩শর দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।

প্রথম দিন সকালে বিপর্যয়ে পড়ার পর লাঞ্চের আগে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। লাঞ্চের পর মুমিনুল ৩১ ও সাকিব ২৪ রান করে আউট হয়ে গেলে  মুশফিক-সাব্বিরের ব্যাটে ভর করে সামনে এগুতো থাকে। তবে চা বিরতির পর সাব্বির ৬৬ রানে আউট হয়ে গেলে ধাক্কা খায় টাইগাররা। দিন শেষে মুশফিক অপরাজিত আছেন ৬২ রানে।

দিনের শুরুটা অবশ্য মোটেই ভালো ছিলো না টাইগারদের জন্য। ইনিংস শুরু করতে নেমে কামিন্স-লায়নের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বাধা পড়ে তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার। দশম ওভারে তামিম যখন লায়নের বলে এলবিডব্লিউ হন; রান তখন ১৩। এরপর দলীয় ২১ রানের মাথায় ইমরুলকেও একই ফাঁদে ফেলেন লায়ন। তবে মুমিনুলকে সাথে নিয়ে কঠিন উইকেটে লড়াই চালিয়ে যান সৌম্য সরকার। তৃতীয় উইকেটে ৪৯ রান যোগ করার পরে লাঞ্চের ঠিক আগে লায়নের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন সৌম্য সরকার। তিনি করেন ৩৩ রান। লাঞ্চের পর চতুর্থ বাহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে মুমিনুলকে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে ফেলেন লায়ন।

বাংলাদেশ দলের অন্যতম ভরসার প্রতীক সাকিব আল হাসান যখন ২৪ রান করে ফিরে যান তখন দলের সংগ্রহ মাত্র ১১৭। শঙ্কা ছিলো ২০০ রানের মধ্যে অলআউট হয়ে যাওয়ার। কিন্তু সেই শঙ্কাকে সত্যি হতে দেননি মুশফিক-সাব্বির জুটি। সাব্বির খেলেছেন স্বভাবসুলভ আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে। ৬২ বলে ক্যারিয়ারের চতুর্থ হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি।

চট্টগ্রামে এক পেসার নিয়ে মাঠে নেমেছে টাইগাররা। শফিউল ইসলামের পরিবর্তে খেলছেন ব্যাটসম্যান মমিনুল হক। অজিরাও খেলছে এক পেসার নিয়ে; উসমান খাজার জায়গায় দলে এসেছেন হিল্টন কার্টরাইট, আর ইনজুরিতে পড়া জশ হ্যাজেলউডের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন স্পিনার স্টিভ ও’কিফ।

২ টেস্টের সিরিজে বাংলাদেশ এখন ১-০-এ এগিয়ে রয়েছে। এই টেস্ট ম্যাচ ড্র হলেও বাংলাদেশ সিরিজে জিতে যাবে। তবে বাংলাদেশের টার্গেট এই ম্যাচেও জিতে অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করা। আর সিরিজে পরাজয়ের লজ্জা থেকে রক্ষা পেতে এই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে জয় পেতেই হবে।









Leave a reply