সিরিয়ার ঘৌতায় বোমা হামলায় ৭০ জন নিহত

|

চলমান সংঘাতে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী দিন দেখলো সিরিয়ার অবরুদ্ধ ঘৌতা। আসাদ বাহিনীর নির্বিচার বোমার আঘাতে সোমবার প্রাণ গেছে নরকযন্ত্রণার মধ্যে বাস করা ৭০ জন সাধারণ সিরীয়র।

পূর্ব ঘৌতায় যখন মানবাধিকার সংস্থার ত্রাণবহর থেকে জরুরী রসদ বিতরণ শুরু হবে, ঠিক তখনই বোমা ফেলে সরকারী বাহিনীর বিমান। একই সাথে শহরটিতে ষোড়শ দিনের মতো গোলাবর্ষন চালিয়ে যাচ্ছে স্থলবাহিনী।

তিন সপ্তাহ আগে শুরু হওয়া সরকারি বাহিনীর তাণ্ডবের পর সোমবারই প্রথম শহরটিতে প্রবেশ করে ত্রাণবহর। রাশিয়া ঘোষিত পাঁচ ঘন্টার অস্ত্রবিরতির মধ্যে শহরটির প্রায় ২৭ হাজার মানুষের কাছে জরুরী ওষুধ, খাবার ও নিত্যপণ্য পৌঁছে দেয় জাতিসংঘের কর্মীরা। তবে সংঘাত কবলিত মানুষদের তুলনায় এই সংখ্যা খুবই অল্প।

সিরিয়ায় জাতিসংঘের সমন্বয়ক আলি আল জাত্তারি জানান, “এতগুলো মানুষের কাছে সহায়তা পাঠাতে ৫ ঘন্টা কিছুই না। ঘৌতায় গুলিবিদ্ধ, ধ্বংসস্তুপের নিচে পড়েছেন এমন বহু আহত মানুষ আছেন। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এবং ওষুধ সরবরাহের পাশাপাশি শিশুদের কাছে খাবারও পৌঁছাতে হবে। আমাদের অন্তত ১৫ ঘন্টা সময় দরকার।”

সরকারি বাহিনীর লুটপাটের কারণেও ত্রাণ সরবরাহ ব্যাহত হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। বহরের ৭০ শতাংশ ওষুধ বিশেষ করে অস্ত্রোপচারের সরঞ্জামের মতো দ্রব্য সেনাবাহিনী রেখে দেয় বলে অভিযোগ জাতিসংঘের। বাধ্য হয়েই ঘৌতা সংলগ্ন দুমা শহরে ত্রাণ পাঠানো হয়।

গেল মাসে বিদ্রোহী অধ্যুষিত ঘৌতায় সরকারি বাহিনী হামলা শুরুর পর থেকে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন শহরটির প্রায় চারলাখ মানুষ। তাদের সহায়তায় দ্রুত মানবিক সহায়তা না পাঠানো গেলে ভয়াবহ মানব বিপর্যয়ের শঙ্কা জানায় জাতিসংঘ।









Leave a reply