চলে গেলেন ফেরদৌসি প্রিয়ভাষিণী

|

মুক্তিযোদ্ধা ও ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী আর নেই। চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর পৌনে ১ টায় রাজধানীর ল্যাড এইড হাসপাতালে মারা যান তিনি। প্রিয়ভাষিণীর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। শোক জানিয়েছে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ নানা ব্যাধিতে আক্রান্ত ছিলেন ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ভর্তি ছিলেন ল্যাব এইড হাসপাতালে। সেখানেই দুপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

মরদেহ আপাতত হিমঘরে রাখা হবে। প্রিয়ভাষিণীর ছোট সন্তান তুর্য অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফিরবেন। ৮ মার্চ শ্রদ্ধাঞ্জলির জন্য প্রিয়ভাষিণীর মরদেহ নেয়া হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। ঐ দিনই বাদ যোহর জানাযা শেষে মিরপুর বুদ্ধিজীবী করবস্থানে দাফন করা হবে জাতির গর্বের সন্তান প্রিয়ভাষিণীকে।

১৯৪৭ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি খুলনায় জন্ম প্রিয়ভাষিণী, একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নির্যাতিত হন। তিনি ইউএনডিপি, ইউএনআইসিইএফ, এফএও, কানাডিয়ান দূতাবাস প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন। শেষ বয়সে এসে নানা শিল্পকর্ম সৃষ্টিতে মনোনিবেশ করেন এবং তা অবিরামভাবে অব্যাহত রাখেন।

স্বাধীনতা যুদ্ধে তার অবদানের জন্য ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ‘মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে সন্মানিত করে। এর আগে ২০১০ সালে তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান স্বাধীনতা পদক পান প্রিয়ভার্ষিণী।

 









Leave a reply