গাছে বেঁধে শাবল দিয়ে পেটানো হলো

|

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বর্বর কায়দায় এক গৃহবধূকে গাছের সাথে দড়ি দিয়ে বেঁধে লাঠি ও শাবল দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। আহত গৃহবধূ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছেন। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে গৃহবধূর স্বামী অহিদুল্লাহ গাজীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার বিকালের ঘটনায় ওই রাতেই দুই জনকে আটক করেছে পুলিশ। আাটককৃতরা হলেন গৃহবধূর ননদ মাছুমা বেগম (৩০) ও ভাশুরের স্ত্রী মর্জিনা বেগম (২৫)।

নির্যাতনের শিকার মাহফুজা খাতুন (৩০) শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ হাজিপুর গ্রামের আব্দুল গফফারের মেয়ে ও কালিগঞ্জ উপজেলার আড়ংগাছা গ্রামের অহিদুল্লাহ গাজীর স্ত্রী।

মাহফুজা খাতুনের বড় ভাই বাবলুর রহমান মোল্যা জানান, বেশ কিছুদিন ধরে স্বামী অহিদুলের সাথে মাহফুজার দ্বন্দ্ব চলছিলো। এর জের ধরে সম্প্রতি মাহফুজা স্বামীর বাড়ি থেকে চলে আসেন। এ সুযোগে অহিদুল্লাহকে তাকে তালাক দেয় এবং বড় মেয়ে তাওছিয়া খাতুনকে ঘরে আটকে রাখে।

খবর পেয়ে মাহফুজা শনিবার বিকালে স্বামীর বাড়িতে ফিরেন। এ সময় অহিদুলসহ তার পরিবারের সদস্যরা মিলে মাহফুজাকে গাছের সাথে বেঁধে শাবল ও লাঠি দিয়ে পেটাতে থাকে। এক পর্যায়ে মৃত্যু হয়েছে মনে করে অহিদ ও অন্যরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে প্রতিবেশিরা পুলিশে খবর দিলে আহতকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এ ব্যাপারে কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুবির দত্ত যমুনা নিউজকে জানান, এ ঘটনা শোনেই আমরা গিয়ে আহত গৃহবধূকে উদ্ধার করি। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই জনকে আটক করা হয়েছে।









Leave a reply