বিউটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জাকিরকে প্রত্যাহার

|

হবিগঞ্জে আলোচিত বিউটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা শায়েস্তাগঞ্জ থানার এসআই জাকিরকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে কেন তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে তা জানা যায়নি।

এদিকে এ ঘটনার প্রধান আসামি বাবুল মিয়াকে শনিবার গ্রেফতার করা হয়। পরে পাঁচ দিনের রিমাণ্ডে নেয়া হয়।

বিউটি আক্তারকে যাতায়াতের পথে উত্ত্যক্ত করতো প্রতিবেশী ২ সন্তানের জনক বাবুল মিয়া। এনিয়ে বিউটি অভিযোগ করলে গত ২১ জানুয়ারি তাকে অপহরণ করে বাবুল। অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। অনেক মিনতির পর ৯ ফেব্রুয়ারি গুরুতর অবস্থায় বিউটিকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয় বাবুল মিয়া।

এরপর গত ১২ ফেব্রুয়ারি বিউটির বাবা সায়েদ আলী বাদী হয়ে বাবুল ও তার মা ইউপি সদস্য কলমচানকে আসামি করে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে ৪ মার্চ এ মামলা গ্রহণ করে শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ। কিন্তু আটক করা হয়নি বাবুল মিয়াকে। উল্টো মামলা তুলে নেয়ার জন্য শুরু হয় বিউটির পরিবারকে হুমকি ধামকি।

নিরাপত্তাহীনতায় ১৩ মার্চ বিউটিকে লাখাইয়ে নানার বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু সেখান থেকে ১৬ মার্চ ফের অপহরণ করা হয় বিউটিকে। ১৭ মার্চ ব্রাহ্মণডোরা হাওরে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হয় বিউটির মৃতদেহ।









Leave a reply