মেসির হ্যাটট্রিকে বার্সার জয়

|

লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিকে দারুন জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। ফলে লা লিগায় শিরোপা পুনরুদ্ধারের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল বার্সা।

শনিবার রাতে কাম্প নউয়ে ৩-১ গোলে জিতেছে বার্সেলোনা। হ্যাটট্রিকে স্বাগতিকদের জয়ের নায়ক দলের সবচেয়ে বড় তারকা মেসি। এবারের লিগে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২৯ গোল করেছেন তিনি।

লিগে নিজেদের আগের ম্যাচে সেভিয়ার সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করা দলটি ফিরল জয়ে। এই জয়ে স্পেনের শীর্ষ লিগে রিয়াল সোসিয়েদাদের টানা ৩৮ ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছে কাতালান ক্লাবটি।

সাম্প্রতিক সময়ে চোট সমস্যায় ভোগা মেসিকে বিশ্রাম দেবেন কিনা, তা নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন ভালভেরদে। শেষ পর্যন্ত শুরুর একাদশেই নামলেন মেসি এবং আরও একবার গড়ে দিলেন পার্থক্য।

ম্যাচের শুরুর দিকে পর পর ২ মিনিটে সহজ দুটি সুযোগ নষ্ট করেন লুইস সুয়ারেজ। ১৮তম মিনিটে উরুগুয়ের স্ট্রাইকারের নেয়া ভলি অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

পরের মিনিটে গোল করার মতো পজিশনে থেকেও নিজে শট না নিয়ে মেসি ডান দিকে বাড়ান সুয়ারেজকে। কিন্তু গোলরক্ষক বরাবর শট নিয়ে হতাশ করেন তিনি।

মেসির নৈপুণ্যে ২৭তম মিনিটে গোলের অপেক্ষা শেষ হয় বার্সেলোনার। বাঁকানো ফ্রি-কিকে ডান কোনা দিয়ে বল জালে পাঠান মেসি। আর্জেন্টাইন তারকা নিজেই ফাউলের শিকার হলে ফ্রি-কিকের বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি।

৩২তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পাঁচবারের বর্ষসেরা ফুটবলার। ফিলিপে কৌতিনিয়োর বাড়ানো বল ধরে দুজনের মধ্যে দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। সঙ্গে লেগে থাকা ডিফেন্ডারকে কোনো সুযোগ না দিয়ে বাঁ-পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন মেসি।

৫৮তম মিনিটে আরেকটি সহজ সুযোগ নষ্ট হয় বার্সেলোনার। ছয় গজ বক্সে বাড়ানো সতীর্থের ক্রসে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন সুয়ারেজ। তার পাশেই থাকা জেরার্ড পিকে বল পাঠান ক্রসবারের ওপর দিয়ে।

৬৮তম মিনিটে ব্যবধান কমিয়ে লড়াইয়ে ফেরে লেগানেস। ডি-বক্সের মুখ থেকে নিচু কোনাকুনি শটে গোলটি করেন মরক্কোর মিডফিল্ডার নাবিল এল জার।

৭৪তম মিনিটে মেসিকে হতাশ করেন স্প্যানিশ গোলরক্ষক ইভান কুয়েয়ার। ৮১তম মিনিটে ছয় গজ বক্সের বাইরে থেকে ওপর দিয়ে মারেন সুয়ারেজ।

আর ৮৭তম মিনিটে হ্যাটট্রিক পূরণ করে ফেলেন মেসি। উসমান দেম্বেলের বাড়ানো বল বুক দিয়ে নামিয়ে গোলরক্ষকের ওপর দিয়ে জালে ঠেলে দেন তিনি।

৩১ ম্যাচে ২৪ জয় ও সাত ড্রয়ে শিরোপার পথে আরেক ধাপ এগিয়ে যাওয়া বার্সেলোনার পয়েন্ট ৭৯। ১২ পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে এক ম্যাচ কম খেলা অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ।

তৃতীয় স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের পয়েন্ট ৩০ ম্যাচে ৬৩। ১ পয়েন্ট কম নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে ভালেন্সিয়া।









Leave a reply