অপপ্রচার ও নির্যাতন বন্ধের জন্যই ডিজিটাল আইন: জয়

|

অপপ্রচার ও নির্যাতন বন্ধের জন্যই ডিজিটাল আইন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই স্বাধীন মত প্রকাশে বাধা দেয়ার জন্য নয়- এমন দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। তরুণ প্রজন্মকে সরকারি চাকরির প্রতি না ঝুঁকে তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে আগ্রহী হবার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

৩ বছরের মধ্যে আউটসোর্সিং খাতে ১ লাখ কর্মসংস্থান তৈরী করতে ৩য় বারের মতো আয়োজন করা হয়েছে বিপিও সামিট। রোববার সকালে দুইদিনব্যাপী এ সামিটের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

প্রথম অধিবেশনে তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন নীতিনির্ধারকরা। পরে সজীব ওয়াজেদ বলেন, ইন্টারনেটকে নিয়ন্ত্রণ করা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। কিন্তু ধর্মনিরপক্ষেতায় বিশ্বাসী বর্তমান সরকার গুজবের মাধ্যমে নির্যাতন কোনোভাবেই মেনে নিবে না।

তিনি বলেন, স্বাধীন মতপ্রকাশ বন্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা (আইসিটি) আইন করা হয়নি। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তারক্ষাসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং জঙ্গি তৎপরতা বন্ধ করতেই এ আইন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারই প্রথম কোট প্রথা বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে। আত্মনির্ভর হবার জন্য তরুণ প্রজন্মকে আইটি খাতে আগ্রহী হবার তাগিদ দেন তিনি। বলেন, বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) প্রতিবছর মাত্র তিন থেকে চার হাজার তরুণ-তরুণীকে নিয়োগ দেয়। এর বাইরে বিপুল চাকরিপ্রার্থীরা থেকে যাচ্ছে। আমি তাদের বলব, আপনাদের চাকরির জন্য আর সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থানের অবারিত সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রশিক্ষণ নিন এবং ইন্টারনেটকে কাজে লাগিয়ে আইটি সেক্টরে নিজে কর্মসংস্থান করে নিন।

আওয়ামী লীগ কখনই দেশকে পিছিয়ে যেতে দিবে না বলে জানান সজীব ওয়াজেদ। তৃণমূল পর্যায় থেকে উদ্যোগ নেয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশই আইসিটি খাতের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে বলে আশাবাদী তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ২০০৮ সালে যেখানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ২৪ লাখ, বর্তমানে সেই সংখ্যা ৮ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। কেবল গ্রাহকের সংখ্যা বাড়ানোই নয়, ব্যবহারকারীদের জন্য ইন্টারনেট যেন নিরাপদ হয়, সে জন্যও আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ২০০৫ সালে যে ব্যান্ডউইডথের দাম ছিল ৭৫ হাজার টাকা, সরকার এখন তা এক হাজার টাকার নিচে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।

সৃজনশীল অর্থনীতির খোঁজে দু’দিন ব্যাপী এই সম্মেলনে ১৩টি সেমিনারে ৮০ জন স্থানীয় ও ৩০ জন বিদেশি বিশেষজ্ঞ অংশ নিচ্ছেন।

যমুনা অনলাইন: টিএফ









Leave a reply