ট্যাংক উৎপাদন চুক্তিতে আরও সংহত হলো তুরস্ক-কাতার সম্পর্ক

|

গত মাসের শেষের দিকে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে তুরস্ক ও কাতার। বিগত বছরগুলোতে ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে একসাথে কাজ করা দুই দেশের মধ্যে আগে থেকেই জোরদার বাণিজ্যিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক রয়েছে। তবে
তুরস্কের নিজস্ব প্রযুক্তিতে অত্যাধুনিক ‘অলটে’ ট্যাংক উৎপাদনে দোহা-আঙ্কারার এই চুক্তির পর উভয় দেশের সম্পর্ক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। এমনটাই মনে করছে প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ডিফেন্সনিউজ।

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যদিও কাতারের আর্থিক সমর্থন বিশাল বাজেটের এই প্রকল্পে তুরস্কের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় ছিল, তবে চূড়ান্তভাবে ট্যাংক বাজারে এলে কাতার-তুর্কি ব্লকের সাথে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব থাকা মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে সমরাস্ত্রটি বিক্রি করা যাবে না। বিশেষ করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং মিশর তুরস্ক-কাতারের উৎপাদন করা সমরাস্ত্র কিনবে না।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে উভয় দেশের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বিএমসি নামক একটি প্রতিষ্ঠান। ধারাবাহিকভাবে উৎপাদনে গেলে ৩০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অলটে ট্যাংকের প্রটোটাইপ

দীর্ঘদিন ধরে তুরস্ক নিজস্ব প্রযুক্তিতে সমরাস্ত্র উৎপাদনে জোর দিচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে ‘অলটে’ ট্যাংক তৈরি পরিকল্পনা নেয় রজব তাইয়েব এরদোগানের সরকার। বিশেষ করে সিরিয়ায় গত দুই বছরে দুটি সামরিক অভিযানে বর্তমান প্রযুক্তির একাধিক ট্যাংক কুর্দি যোদ্ধাদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রেক্ষিতে উদ্যোগটি আরো বেগ পায়। মূলত সিরিয়ায় যেসব সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে তুর্কি সেনাবাহিনী, সেসব অভিজ্ঞতার আলোকে ‘অলটে’ ট্যাংককে আরও শক্তিশালী হিসেবে ডিজাইন করা হবে।









Leave a reply