আন্তর্জাতিক আদালতে ইসরায়েলের বিচার চায় তুরস্ক-ইরান

|

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশন। নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি বর্বরতার প্রমাণ সংগ্রহে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান কমিশনের প্রধান জাইদ রাদ আল-হুসাইন।

এদিকে ওআইসি সম্মেলনে যোগ দিয়ে জেরুজালেম ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ধিক্কার জানিয়েছে মুসলিম দেশগুলো।

নিপীড়িত ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় শুক্রবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বৈঠকে বসেন মুসলিম বিশ্বের নেতারা। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের দ্বারস্থ হওয়ার হুঁশিয়ারি দেয় তুরস্ক। ঐক্যবদ্ধভাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে প্রতিহতের ডাক দেয় ইরান।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেন, ফিলিস্তিনে শান্তিরক্ষা মিশন প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। গণহত্যা বন্ধে বিশ্ব সম্প্রদায়কে এখনই উদ্যোগী হতে হবে। জেরুজালেম ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত যারা মেনে নেবে, তাদের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপেরও বিকল্প নেই।

ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেন, ফিলিস্তিনিদের সহায়তা এবং ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক সিদ্ধান্ত মোকাবেলায় মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। মুসলিম দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানাচ্ছি। এছাড়া ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথেও সম্পর্কচ্ছেদ করতে হবে।

উভয় নেতাই ইসরায়েলের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক আদলতে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এদিকে ফিলিস্তিনিদের ওপর বর্বরতার ও ইসরায়েলের যুদ্ধাপরাধ প্রমাণে গাজায় আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশন।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান জাইদ রাদ আল-হুসাইন বলেন, গাজায় হতাহতদের বেশিরভাগই নিরস্ত্র ছিলেন। সেদিন বিক্ষোভস্থলের বাইরেও পাঁচটি এলাকায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে প্রাণ হারান ১৭ ফিলিস্তিনি। ইসরায়েলের এই কদাকার রূপ যেন উন্মোচিত হয়, সে লক্ষ্য একটি তদন্ত দল যাবে মধ্যপ্রাচ্যে। তাহলেই কেবল আইনের কাঠগড়ায় আনা যাবে বেনিয়ামিন প্রশাসনকে।

শুক্রবার ইসরায়েলি রক্তচক্ষু এড়িয়ে পবিত্র আল-আকসা মসজিদে নামাজ আদায় করেন হাজারও ফিলিস্তিনি।









Leave a reply