শেরপুরে বন্যায় বিপর্যস্ত মানুষের নতুন দুশ্চিন্তা এনজিওর কিস্তি

|

শেরপুরের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে বন্যায় বিপর্যস্ত মানুষের নতুন দুশ্চিন্তা এনজিওর কিস্তি। তিন সপ্তাহের বন্যায় ঋণের কিস্তি যোগাড় করতে হচ্ছে তাদের। দশটি এনজিও প্রতিষ্ঠান ঋণের কিস্তি তুলতে নানাভাবে জুলম করছে এই অঞ্চলের মানুষগুলোর ওপর।

মাথা গোজার ঠাঁই হারিয়ে দিশেহারা বানভাসি মানুষ। ঘরে খাবার নেই, অনিশ্চিত আগামী। তার ওপর নতুন দুশ্চিন্তা এনজিওর কিস্তি। শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলায় দশটি এনজিও কার্যক্রম চালাচ্ছে। শত কাকুতি মিনতিতেও কিস্তি আদায়ে বিরতি নেই তাদের। তবে ঋণ গ্রহীতার শীর্ষে থাকা এমনই একটি এনজিওর দাবি, দুর্যোগকালীন সময়ে কিস্তি আদায়ে কোনো জবরদস্তি নেই।

শেরপুর ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্সের শাখা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ বাবুল ইসলাম বলেন, কয়েকটা এরিয়াতে এখনও পানি আছে। ওখানে কালেকশন বন্যার আগেই হয়ে গেছে। এখন যেখানে বন্যা আছে সেখানে আমরা কিস্তি নিয়ে কোনো চাপাচাপি করছি না। আমরা ফিল্ডে যাচ্ছি যাদের পূর্বে ঋণ শোধ হয়ে গেছে তাদের ফর্ম পূরণ করে নিয়ে আসছি আর যারা কিস্তি দিচ্ছে তাদের কিস্তি নিয়ে আসছি। আমরা কিস্তি নিয়ে কোনো জোর করছি না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলছেন, দুর্গত এলাকায় কিস্তি আদায় বন্ধে এনজিওগুলোকে নির্দেশনা ও অনুরোধ জানানো হবে।

এনজিওর কিস্তি পরিশোধ করতে গিয়ে সীমান্তবর্তী ৫টি ইউনিয়নে নতুন করে উচ্চ হারে সুদ নিচ্ছেন অনেকে।

ইউএইচ/


সম্পর্কিত আরও পড়ুন




Leave a reply