ভালোবাসার টানে মানিকগঞ্জের যে গ্রামে ছুটে গিয়েছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম

|

কাজী নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী আশালতা সেনগুপ্তা প্রমিলার স্মৃতি জড়িয়ে আছে মানিকগঞ্জের তেওতা গ্রামে। ভালোবাসার টানে প্রত্যন্ত এই গ্রামে কবি এসেছিলেন বেশ কয়েকবার। তেওতা জমিদার বাড়ির পাশেই রয়েছে কবিপত্নির জন্মভিটা। কিন্তু সংরক্ষণের অভাবে বাড়িটি এখন বেহাত হতে চলেছে।

শান বাঁধানো পদ্মপুকুর, জমিদার বাড়ি, নবরত্ন মঠ আর সবুজ শ্যামল গ্রামটির সাথে মিশে আছে কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতি।

যমুনা পাড়ের এই তেওতা গ্রামেরই মেয়ে আশালতা সেনগুপ্তা ওরফে প্রমিলা, ছিলেন কবির স্ত্রী। ভালোবাসার টানে তাই তো এখানে এসেছিলেন বেশ কয়েকবার। নজরুল-প্রমিলার স্মৃতি ঘিরে এখানে রয়েছে পযর্টন সম্ভাবনা। জমিদার বাড়ির পাশেই কবিপত্নি প্রমিলার বাড়ি। সংরক্ষণের অভাবে সেই বাড়িটিও বেহাত হতে চলেছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর নবরত্ন মঠটি সংস্কার করলেও স্মৃতি চিহৃগুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ নেই।

প্রমিলার জন্মভিটা সংরক্ষণ করে তাদের স্মৃতি রক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয় ও যাদুঘর নির্মাণের দাবি স্থানীয়দের। জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ বলছেন, আইনি জটিলতায় কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছেন না তারা।

তবে কবিপত্নির জন্মভিটা রক্ষার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ বিভিন্ন দফতরে আবেদনও করেছে নজরুল-প্রমিলা স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন।

/এডব্লিউ


সম্পর্কিত আরও পড়ুন




Leave a reply