অনেক কাঠখড় পেরিয়ে রাশিয়ায় বিশ্বকাপ

|

সৌদি আরব ও স্বাগতিক রাশিয়ার মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবলের ২১-তম আসর। অনেক পথ-পরিক্রমা আর বিতর্কের মধ্য দিয়েই এই আসরের আয়োজক হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে রাশিয়া। তবে, কূটনৈতিক জটিলতায় বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে হয়েছে রাশানদের। সবকিছু পেছনে ফেলে সফল আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মানচিত্রে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে চায় তারা।

৮ বছর আগে অর্থাৎ ২০১০ সালের ডিসেম্বরে বিশ্বকাপের আয়োজক নির্বাচিত হয় রাশিয়া। ২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপের আয়োজক হতে রাশিয়ার সাথে লড়াইয়ে ছিল পর্তুগাল-স্পেন, বেলজিয়াম-নেদারল্যান্ডস ও ইংল্যান্ড। সংখ্যাগরিষ্ঠ ১৩ ভোট পেয়ে ‘গ্রেস্টেস্ট শো অন আর্থ’র ২১-তম আসরের আয়োজক হয় রাশিয়া।

তবে, বাছাইপর্বের এই প্রক্রিয়ায় মুহূর্তেই ছড়িয়ে যায় বিতর্কের ধুম্রজাল। তদন্ত রিপোর্টে উঠে আসে রাশিয়ার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়েছে সেপ ব্ল্যাটারের ফিফা। বাছাই প্রক্রিয়ার আগেই নাকি নির্ধারিত হয়েছিলো ২০১৮’র আয়োজক হচ্ছে রাশিয়া। যে বিতর্কে ফিফার সভাপতি পদ থেকে সরে যেতে বাধ্য হন ব্ল্যাটার। সেই ব্ল্যাটারই পুতিনের বিশেষ আমন্ত্রণে থাকবেন বিশ্বকাপের উদ্বোধনীতে।

নতুন সভাপতি ইনফ্যান্টিনোর অধীনে শঙ্কার সেই মেঘ কেটে গেলেও আয়োজনের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত দেখা মেলেনি বিশ্বকাপের চিরকালীন উন্মাদনা। অনেকটা নিরবে-নিভৃতেই যেন হতে যাচ্ছে এবারের আসর। বিশ্ব রাজনীতিকেই তার কারণ বলছেন বিশ্লেষকরা।

৩২ দলের অংশগ্রহণের ৭৩৬ ফুটবলারদের কারুকাজের জন্য প্রস্তুত ১২টি ভেন্যু। যেখানে চ্যালেঞ্জটা ভিন্ন জায়গায়। রাজনৈতিক চাপ আর বির্তকিত বিডিং প্রক্রিয়ার সমালোচনা ছাপিয়ে আয়োজক হিসেবে সফলতার কিরণ ছোঁয়া। মাঠের লড়াই ছাপিয়ে রাশিয়ার লক্ষ্য আয়োজক হিসেবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার।

যমুনা অনলাইন: এএস/টিএফ









Leave a reply