কোলারভের ফ্রি-কিকেই নাভাসদের সর্বনাশ

|

ফি্র-কিক থেকে অসাধারণ এক গোল করে বিশ্বকাপে সার্বিয়াকে শুভ সূচনা এনে দিলেন আলেক্সান্দার কোলারভ। ই-গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে সার্বিয়া। অন্যদিকে, নাভাসের মতো বিশ্ব মাপের গোলরক্ষক আর দুর্দান্ত রক্ষণভাগে স্বস্তি কাজে লাগাতে পারেনি কোস্টারিকা। বারবারই সার্বিয়ার ডি-বক্সে গিয়ে খেই হারিয়েছে তাদের আক্রমণবাগ।

রিয়াল মাদ্রিদের গোলবার সামলানোর দায়িত্ব তার কাঁধে। সেই নাভাসকে জাতীয় দলের হয়েও দারুণ সপ্রতিভ। রোববারের ম্যাচে বেশ কিছু অসাধারণ সেভও করেছেন কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। কোলারভের দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক ভেস্তে দিয়েছে তার সব প্রচেষ্টা।

বাকি ৩৪ মিনিটে মুহুর্মুহু আক্রমণ করেও সার্বিয়ার জমাট ডিফেন্স ভাঙতে পারেনি রামিরেসের শিষ্যরা। বরং পাল্টা আক্রমণ থেকে বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগ সার্বিয়ানরা কাজে লাগাতে পারলে অথবা নাভাস ঠেকিয়ে না দিলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারতো।

ম্যাচজুড়ে উত্তেজনাও কম হয়নি। গোটা ৩৩ ফাউলই তার প্রমাণ। সেটি চরমে উঠলো অতিরিক্ত সময়ে। মাঠের বাইরে চলে বল কে নেবেন সেটি নিয়ে প্রায় হাতাহাতির দশা সার্বিয়ার নেমানিয়া মাতিচ ও কোস্টারিকার এক কোচিং স্টাফের। শেষ পর্যন্ত রেফারির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

ম্যাচে দুই দলই প্রতিপক্ষের গোলবারে ১০টি করে শট নিয়েছে। এটি দেখে বোঝার উপায় নেই সার্বিয়া কতটা দাপটের সাথে খেলেছে। কোস্টারিকার দুর্দান্ত রক্ষণ আর পোস্টের সুরক্ষাদাতা নাভাসের কারণে অনেক সম্ভাবনাময় আক্রমণ নস্যাৎ হয়ে গেছে।

৫৬ মিনিটে কোলারভের বাঁকানো ফ্রি-কিক আসলে ঠেকানো সম্ভব ছিল না। নাহয়, দারুণ খেলেও পয়েন্ট ভাগাভাগির বেদনা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হতো সার্বিয়ানদের। অভিজ্ঞ অালেকজান্ডার মিত্রোভিকের পাশাপাশি তরুণ সার্গেই মিলিনকোভিক-সাভিক খেলা দেখে বলে দেয়া যায় এই সার্বিয়াকে হারানো সহজ নয়।

যমুনা অনলাইন: টিএফ









Leave a reply