ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো ১২ বছরের স্কুল ছাত্রীর বিয়ে

|

ফরিদপুর প্রতিনিধি
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. জোবায়ের রহমান রাশেদ এর হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্য বিয়ে। বাল্য বিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেল কাকলী আক্তার নামে ১২ বছরের এক স্কুল ছাত্রী। আজ বুধবার দুপুরে ভারপ্রাপ্ত ইউএনও ওই কিশোরীর বাড়িতে হাজির হয়ে এই বিয়ে বন্ধ করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুরে সদরপুর উপজেলার ভাষানচর ইউনিয়নের ইসমাইল শেখের ডাঙ্গী গ্রামের মো. মোজাহারের মেয়ে কাকলী আক্তার এর সাথে ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার মশালজোন গ্রামের মো. মোসলেমের ছেলে পলাশ হোসেনের সাথে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল।

খবর পেয়ে ওই মেয়ের বাড়িতে হাজির হন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জোবায়ের রহমান রাশেদ। তিনি বিয়ে বন্ধের নির্দেশ দেন ও বিয়ে উপলক্ষে নির্মিত তোরন ভেঙে ফেলেন।

পরে ভাষানচর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোকলেস শেখের মধ্যস্থতায় মেয়ের বাবা প্রাপ্ত বয়ষ্ক না হওয়া পর্যন্ত মেয়ের বিয়ে দিবো না, এমন মুচলেকা দিলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শুধু মাত্র সতর্ক করে দিয়ে যান।

বাল্য বিয়ের শিকার হতে যাওয়া কাকলী আক্তার চরভদ্রাসন উপজেলার নয়া ডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনির ছাত্রী।









Leave a reply