সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বহাল

|

পাঁচ মুসলিম দেশের নাগরিকের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিষেধাজ্ঞা বহালের আদেশ দিয়েছেন দেশটির আদালত। এরফলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ কার্যকরে আর কোনো বাধা থাকলো না। ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সিরিয়া ও ইয়েমেনের বেশিরভাগ নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। এদিকে ডেমোক্র্যাট শিবিরের শঙ্কা এই রায় মুসলিম দেশগুলোর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দূরত্ব আরও বাড়িয়ে দেবে।

শেষ ভরসা ছিলো সর্বোচ্চ আদালত। ৫ মুসলিম দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা যখন বহালের আদেশ দিলেন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট, তখন ক্ষোভে-প্রতিবাদে পথে নেমে আসে সাধারণ মানুষ।

ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার এই সিদ্ধান্ত, মার্কিন প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতার এখতিয়ারের মধ্যেই বলে জানান দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল। তাই একে অবৈধ বলার কোনো সুযোগ নেই।

অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশনস  বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব হলো দেশের জনগনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় নির্বাহী আদেশ দিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই দায়িত্বই পালন করছেন। নির্বাহী আদেশ তার ক্ষমতার এখতিয়ারের মধ্যে রয়েছে।

৫ মুসলিম দেশের নাগরিকদের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, এই রায় মার্কিনীদের বিজয়। দেশের মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থেই এমন পদক্ষেপ নেয়া জরুরি ছিলো। সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তই প্রমাণ করে ডেমোক্র্যাটদের বিরোধিতা ভুল ছিলো।

তবে অনেক রাজনীতিবিদই বলছেন ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত বহাল রাখার সিদ্ধান্তকে ভালোভাবে নেবে না মুসলিম দেশগুলো।

রিপাবলিকান সিনেটর জেফ ফ্লেক বলেন, এই সিদ্ধান্তকে কখনোই স্বাভাবিকভাবে নেবে না মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে। তাই এই ঘটনার প্রভাব মার্কিন নীতিতে পড়বেই। বিশেষ করে বিভিন্ন চুক্তি, সন্ত্রাসবাদ ও বাণিজ্যিক ইস্যুতে অনেক মুসলিম দেশই যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা থেকে বেঁকে বসতে পারে।

গত বছর ক্ষমতায় এসেই ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সিরিয়া, ইমেয়েন, ভেনেজুয়েলা ও উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে নির্বাহী আদেশ দেন ট্রাম্প। তবে ৫ মুসলিম দেশের ক্ষেত্রে, আদেশের কার্যকারিতা স্থগিত করতে রায় দেন নিম্ন আদালত।









Leave a reply