লণ্ডভণ্ড রক্ষণভাগ, ৪-৩ গোলে হেরে বিদায় আর্জেন্টিনা

|

দুইপক্ষে মিলিয়ে গোল হয়েছে ৭টি। আজেন্টিনা হজম করেছে ৪টি, আর ফ্রান্স ৩। তবে সাম্পাওলির দলের রক্ষণকে মনে হয়েছে বেহুলার বাসর ঘরের মতো! চাইলেই যেন ঢুকে যেতে পারছিলো ফরাসিরা। রক্ষণভাগের দুর্বলতার কারণেই আর্জেন্টাইনদেরকে হেরে বিদায় নিতে হলো দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে।

মেসিকে উমতিতি আর ভারানের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হিসেবে সবার সামনে রেখে ফরমেশন বদলে মাঠে নামে আর্জেন্টিনা। এ যেন দেশমের সাথে সাম্পাওলির সেরা অস্ত্র প্রদরশন আর প্রয়োগের লড়াই। সেই লড়াইয়ে ম্যাচের ৯ মিনিটে ক্রসবার কাপিয়ে দেন গ্রিজম্যান। ফ্রি-কিক থেকে আর এগিয়ে যাওয়া হয়নি লেস-ব্লুদের।

তবে আর্জেন্টিনার দূরবল রক্ষণ এর সুযোগ নিতে দেরি করেনি ফ্ররাসীরা। রোহোর ভুলের কারণে পাওয়া পেনাল্টি কাজে লাগান- গ্রিজম্যান।

৪১ মিনিটে সেই গোল শোধ দেন ডি-মারিয়া। এ যেন নাইজেরিয়া ম্যাচে খারাপ খেলার স্মৃতি পেছনে ফেলা। ডি-বক্সের বাইরে থেকে লরিসকে কোন সু্যোগই দেননি মারিয়া। খেলায় ফেরে আর্জেন্টিনা।

৪৮ মিনিটে পগবা বল ক্লিয়ার করতে ব্যরথ হলে মেসি দেখান তার ঝলক। মারকেডোর পায়ে লেগে গতিপথ বদলে বল ঢুকে যায় জালে। ম্যাচে প্রথমবারের মত লিড নেয় আর্জেন্টিনা।

কিন্তু তখনো কেবল গল্পের অর্ধেক। ম্যাচে হয়েছে আরো ৩ গোল। সেই গোলগুলো সব ফ্রেঞ্জদের দখলে। আর্জেন্টাইন ডিফেন্স যে তাসের ঘর, ক্রোয়েশিয়ার পর এবার তা দেখালো ফরাসীরা। বেঞ্জামিন পাভারডের এই গোল যেন ডি-মারিয়ারটির জবাব।

এগিয়ে যেতেও সময় নেয়নি, দেশমের দল। সারা ম্যাচে দারুণ খেলা এমবাপ্পে স্কোরশিটে নাম তুলে ম্যাচের গতিপথ বদলে দেন।

আর শেষ পেরেক্টি ঠোকেন সেই এম্বাপ্পে। জিরুর তৈরি সু্যোগ কাজে লাগান তিনি। ৪-২ এর লিড নেয় ফ্রান্স। বদলী হিসেবে মাঠ্র নেমে মেসির লব থেকে দারুণ এক গোল করেন আগুয়েরো, কিন্তু ততক্ষ্ণণে দেরি হয়ে গেছে।









Leave a reply