রিজার্ভ নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

|

রিজার্ভ নিয়ে বিরোধী দলগুলোর নানা অভিযোগের জবাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বিরোধী দল থেকে প্রায়ই রিজার্ভের টাকা গেলো কোথায় সে প্রশ্ন তোলা হয়। এটা নিয়ে অপপ্রচারের চেষ্টা করা হয়। এই টাকা সবসময় খরচ হতে থাকে, এটা রোলিং করে। কিন্তু করোনার সময় আমদান, রপ্তানি, যোগাযোগ, যাতায়াত সবকিছু একরকম বন্ধ ছিল বলেই রিজার্ভ এতটা জমা পড়েছিল। কিন্তু করোনা শেষ হয়ে গেলে আমদানি-রপ্তানি এমনকি চাষবাষের জন্য মেশিনারিজ ক্রয়ে টাকা ব্যয় করতে হয়।  করোনার ভ্যাকসিন ক্রয় এবং বিনামূল্যে টেস্ট করাসহ আনুসাঙ্গিক খাতেও অর্থ ব্যয় করতে হয়। এভাবেই এ টাকা ব্যবহার হয়েছে মানুষের কল্যাণে।

সোমবার (১৪ নভেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ৫৯টি জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান। বলেন, বিএনপি রিজার্ভ নিয়ে কথা বলে, কিন্তু তাদের নেতা তারেক রহমান মানি লন্ডারিং, অবৈধ সম্পদ, অর্থ পাচার, ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার পলাতক আসামি। বিএনপির চরিত্র অপপ্রচার চালানো। এদের কারণে মানুষ যেন বিভ্রান্ত না হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির গঠনতন্ত্রেই আছে, সাজাপ্রাপ্ত আসামি তাদের নেতা থাকতে পারবে না। অথচ সাজাপ্রাপ্ত আসামিদেরই তারা নেতা বানিয়ে রেখেছে। তারেক-কোকো টাকা পাচারকারী, তারাই আবার পাচারের অভিযোগ তোলে কী করে? কোকো মারা যাবার পর আমি সমবেদনা জানাতে গেলে আমাকে বাড়িতে ঢুকতে দেয়নি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, জাতির পিতার কন্যাকে তারা অপমান করেছিল। তারপরেও আমি মাফ করে দিয়েছি খালেদা জিয়াকে। তাকে বাড়িতে থাকতে দিয়েছি।

ভোগ দখলের জন্য নয়, জনগণের সেবা করার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন উল্লেখ করে মানুষের কল্যাণে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানদের কাজ করতে এ সময় আহ্বান জানান সরকার প্রধান। বলেন, শহরের মতো গ্রামেও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে। রাজধানী ও গ্রামীণ জীবনে বৈষম্য যেন না থাকে সেই লক্ষে সরকার কাজ করছে। নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নই সরকারের লক্ষ্য। গ্রামকে লক্ষ্য রেখেই উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশকে এখন আর কেউ অবহেলা করে না। এই দেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হচ্ছে। অতীতে নির্বাচন কেমন হতো তা সবাই জানে।

তিনি আরও বলেন, সরকার বিনা পয়সায় খাবার, ঘর করে দিচ্ছে। দেশের একটি মানুষও গৃহহীন-ভূমিহীন থাকবে না। নিজেদের টাকায় বিমান কেনা হয়েছে। রফতানিতে প্রণোদনা দিয়েছি। বিশ্ব পরিস্থিতিতে এখন অতি বেশি মূল্য দিয়ে খাদ্য, পণ্য আমদানি করতে হচ্ছে।

/এমএন


সম্পর্কিত আরও পড়ুন




Leave a reply