রাজশাহীতে ছাত্রাবাসে বহিরাগত ঠেকাতে পুলিশের বিশেষ ব্যবস্থা

|

রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে স্থানীয় ছাত্রাবাসগুলো খোলা রাখা হলেও বহিরাগতদের অবস্থানের সুযোগ বন্ধ করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে প্রশাসন। ছাত্রাবাসগুলোর পূর্বে নিবন্ধিত বাসিন্দারা অবস্থান করতে পারলেও নিবন্ধনহীন কেউ থাকতে পারবেন না- এমন সিদ্ধান্তই নিতে যাচ্ছে পুলিশ। পাশাপাশি যেসব ভাড়াটিয়ার তথ্য পুলিশের কাছে মালিকদের পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে তারাও অবস্থান করতে পারবেন। এর বাইরে যারা রয়েছেন, তাদের নগরী ছাড়তে হবে ২৭ জুলাইয়ের আগে।

রাজশাহী নগরীতে প্রায় ৭শ ছাত্রাবাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৭০ হাজার। শিক্ষার্থী আর চাকরিজীবী মিলে নগরীর ভোটার নন, এমন বাসিন্দা লাখ খানেক।

নির্বাচনের আগে তাদের নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুইদলেই শঙ্কা। নির্বাচন কমিশন ও পুলিশও খানিকটা অস্বস্তিতে। যদিও ভোটের সময় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে ফেলে অন্যত্র সরিয়ে দেয়ার বিপক্ষে সবাই। তারা বলছেন, শিক্ষার্থীরা সবাই এখানকার বাসিন্দা হিসাবে বিবেচিত হবেন।

আওয়ামী লীগ বলছে, বিগত সময়ের সহিংসতায় মেস ও ফ্ল্যাটের অস্থায়ী বাসিন্দাদের অংশগ্রহণ ছিল। সেকারণে ২০ দলের বহিরাগতরা কৌশলে নগরে অবস্থান না নিতে পারে তার নিশ্চয়তা চায় দলটি। ঠিক উল্টো শঙ্কা বিএনপির।

এমন পরিস্থিতিতে পুলিশের সিদ্ধান্ত, যেসব ছাত্রাবাসের বাসিন্দা ও ভাড়াটিয়াদের তথ্য পুলিশের কাছে মালিকরা জমা দিয়েছেন, তারা থাকতে পারবেন। কিন্তু এই তালিকার বাইরে যারা, তাদের নগর ছাড়তে ২৭ জুলাইয়ের আগে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আবাসিক হল খোলা থাকবে। শিক্ষার্থীরাও অবস্থান করতে পারবেন। তবে বহিরাগতদের অবস্থান বন্ধে থাকবে নিয়মিত তল্লাশী।









Leave a reply