জিএসপি প্লাস পাওয়ার শর্ত পূরণে বাংলাদেশের অবস্থান সন্তোষজনক: চার্লস হোয়াইটলি

|

ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি।

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পরও ইউরোপের বাজারে বিদ্যমান বাণিজ্য সুবিধা চান রফতানিকারকরা। এ প্রসঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি জানিয়েছেন, জিএসপি প্লাস পাওয়ার শর্ত পূরণে বাংলাদেশের অবস্থান এখন সন্তোষজনক।

বুধবার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশে পরিচালিত ইউরোপীয়ান কোম্পানিগুলোর বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক সেমিনারে ব্যবসায়ীরা এ দাবি তুলে ধরেন। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এ সময় উদ্যোক্তাদের আশ্বস্ত করে ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার ইউরোপীয় ইউনিয়ন। বাংলাদেশ বেশ কিছু শর্ত পূরণ করেছে। ইউরোপীয় কমিশনে চূড়ান্ত হওয়ার অপেক্ষায় থাকা নতুন জিএসপি স্কিমে সুবিধাজনক অবস্থান নিশ্চিতে বাংলাদেশের পাশে থাকবে ইইউ।

উল্লেখ্য, আগামী জানুয়ারি থেকে ‘জিএসপি প্লাস’ সুবিধা কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। দেশের রফতানি আয়ের সাড়ে ৫ হাজার কোটি ডলারের মধ্যে ৪৮ শতাংশই আসে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে।

এদিকে, এলসি খোলার সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, এলসি খোলার সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বেশ কিছু বিড়ম্বনা দূর করতে প্রশাসন উদ্যোগ নিয়েছে। এতে করে বিনিয়োগের পরিবেশ আরও ভালো হবে। সবাই মিলে চেষ্টা করলে আমরা এগিয়ে যাব। সমস্যাগুলো সমাধানে সরকার ও ব্যবসায়ীরা একসাথে মিলে কাজ করবো।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ভালো জায়গা। আপনারা আসেন, দেখেন। বাংলাদেশে ব্যবসা করে আপনারা কেউ ঠকবেন না।

বাংলাদেশে ইউরোপের বিনিয়োগ টানতে সেমিনারে বিশেষ ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া।

/এমএইচ/এমএন


সম্পর্কিত আরও পড়ুন




Leave a reply