নৌকাডুবির ২৮ ঘণ্টা পরও নিখোঁজদের সন্ধান নেই, পদ্মার পাড়ে স্বজনের অপেক্ষা

|

পাবনা প্রতিনিধি

পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুরে পদ্মা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ তিনজনের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে। ঘটনার প্রায় ২৮ ঘন্টা পার হলেও নিখোঁজ কারো মরদেহ উদ্ধার করা যায়নি।

পাবনা ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারি পরিচালক এ কে এম সাইফুল ইসলাম জানান, ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ও রাজশাহী থেকে আসা একটি ডুবুরী দলের সদস্যরা আজ শুক্রবার সকাল সাতটা থেকে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রথম উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত কারো সন্ধান মেলেনি।

অপরদিকে নিখোঁজ তিনজনের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। নদীর তীরে বসে আছেন নিখোঁজদের স্বজনরা। উদ্ধার অভিযান ও নিখোঁজদের খবর জানতে ভীড় করছেন এলাকাবাসীও।

এদিকে, নৌকাডুবির ঘটনা খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকালে ঘটনাস্থলে ছুটে যান পাবনার জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওবাইদুল হক। তারা নিখোঁজদের বিষয়ে ও উদ্ধার অভিযানের খোঁজ খবর নেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন বলেন, আমরা নিখোঁজদের উদ্ধারের সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। ফায়ার সার্ভিস, মেডিকেল টিম এখানে উপস্থিত রয়েছে। রাজশাহী থেকে ডুবুরি দল এসে উদ্ধার কাজে অংশগ্রহন করেছে। পাবনা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিখোঁজদের পরিবারকে আর্থিক সহযোগীতা দেয়া হবে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের দীঘি গোহাইলবাড়ী এলাকায় পদ্মা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। এতে শিশুসহ তিনজন নিখোঁজ হয়। নিখোঁজরা হলেন-সদর উপজেলার দীঘি গোহাইলবাড়ী গ্রামের ইমান সরদারের ছেলে আবুল হাসেম (৩০), ডিটুল সরদারের ছেলে বিপ্লব (৭) ও কাশেম সরদারের ছেলে নাইম (৬)।

চরতারাপুর ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম টুটুল জানান, একটি মৃত্যুবাষির্কীতে যোগদানের উদ্দেশ্যে ১১ জন যাত্রী দিঘী গোইলবাড়ী থেকে নৌকায় করে অপরপাড়ে ভাদুরডাঙ্গি ঘাটের দিকে যাওয়ার উদ্দেশ্যে পদ্মা নদী পার হচ্ছিল। যাত্রা শুরুর কিছুক্ষনের মধ্যেই প্রবল স্রোতের টানে নৌকাটি উল্টে যায়। এ সময় ৮ জন সাঁতরে তীরে উঠলেও ওই তিনজন নিখোঁজ হয়।









Leave a reply