নাব্য সংকটে ফেরি চলাচল বন্ধ; যানবাহনের দীর্ঘ সারি

|

স্টাফ রিপোর্টার, মাদারীপুর:

পদ্মা নদীতে ২৪ ঘন্টায় ২০ সে.মি পানি হ্রাসসহ গত ২দিনে ৪৫ সে.মি. পানি কমে নাব্য সংকট ভয়াবহ হওয়ায় শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে সকল ধরনের ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

সোমবার বিকেলে ফেরি সার্ভিস সম্পূর্ণ বন্ধ হওয়ায় যাত্রী ও শ্রমিক দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। উভয় ঘাটে এ্যাম্বুলেন্স, যাত্রীবাহী বাসসহ ৪ শতাধিক যানবাহন আটকে রয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসিসহ একাধিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘন্টায় পদ্মা নদীর শিমুলিয়া অংশে ২০ সে.মি পানি হ্রাস পেয়েছে। এর আগের দিন হ্রাস পায় ২৫ সে.মি। এতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এ নৌরুটের লৌহজং টার্নিংয়ে তীব্র নাব্য সংকট দেখা দিয়েছে।

অপরদিকে উজানের নদী ভাঙ্গনের পলি পড়ায় লৌহজং টার্নিংয়ে বড় ধরনের ডুবোচর জেগে উঠায় নৌ চলাচলে গত ২দিন ধরেই চরম বিঘ্ন হচ্ছিলো। রবিবার রাতেই বন্ধ করে দেয়া হয় রো রো ফেরি। সোমবার সকাল থেকে ৮-৯টি ফেরি হালকা যানবাহন নিয়ে চললেও বিকেলে সকল ফেরি বন্ধ করে দেয়া হয়।

লৌহজং টার্নিংয়ে তীব্র স্রোত বহমান থাকায় ড্রেজার স্থাপন কঠিন হয়ে পড়ায় সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। ফলে এ রুটের ফেরিগুলোকে ঘাট এলাকায় নোঙ্গর করে রাখা হয়েছে। উভয় ঘাটে ৪ শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।

কেটাইপ ফেরি ফরিদপুরের মাস্টার ইনচার্জ মিন্টু বলেন, পদ্মায় অস্বাভাবিক হারে পানি কমছে। চর পড়ে লৌহজং টার্নিং বিপদজনক হয়ে উঠেছে। রো রো ফেরি রবিবারই বন্ধ হয়ে গেছে। সোমবার বিকেল পর্যন্ত কোনমতে চললেও সন্ধ্যায় তা বন্ধ করে দিয়েছি।

বিআইডব্লিউটিসির মেরিন কর্মকর্তা আহমেদ আলী বলেন, দ্রুত পানি কমে লৌহজং টার্নিংয়ে তীব্র নাব্য সংকট দেখা দিয়েছে। স্রোতের কারণে ড্রেজিংয়েও বিঘ্ন হচ্ছে। তাই ফেরি পারাপার বন্ধ রাখা হয়েছে।









Leave a reply