ব্যবসা সহজীকরণে নতুন উদ্যোগ, জাতীয় লজিস্টিকস নীতি বাস্তবায়নের পথে সরকার

|

ক্রেতা-ভোক্তাদের কাছে সময়মতো যৌক্তিক মূল্যে পণ্য পৌঁছে দিতে বিশেষায়িত নীতি বাস্তবায়ন করছে সরকার। আমদানি-রফতানি বা উৎপাদক থেকে ভোক্তা, সবাইকে আনা হচ্ছে একটি অভিন্ন নীতির আওতায়। শৃঙ্খলা ও গতি আনতে ব্যবহার হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই’ প্রযুক্তি। জাতীয় লজিস্টিকস নীতি মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর মন্ত্রণালয়গুলোকে অবহিত করার পথে এগোচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এই নীতি বাস্তবায়ন হলে আমুল বদলে যাবে অর্থনীতির চিত্র, এমনটাই আশা সংশ্লিষ্টদের।

বিনিয়োগ পরিবেশ ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে আমদানি-রফতানি বাড়লেও মাঠ থেকে শুরু করে কারখানা হয়ে ভোক্তা কিংবা আমদানির পর জাহাজ থেকে শুরু করে খুচরা পর্যায়ে পণ্য পৌঁছাতে নেই প্রয়োজনীয় লজিস্টিকস সুবিধা। এর প্রভাব পড়ছে মূল্যে, অনেক ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা। বন্দরে আমদানি-রফতানি কনটেইনার খালাসে সময় এবং কাস্টমস জটিলতায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুরো অর্থনীতি।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া জানিয়েছেন, ২০৪১ সালে দেশে ৬০ শতাংশ পণ্য পরিবহন হবে সড়কপথে, নৌপথে ২৫ শতাংশ, রেলপথে ১৪ শতাংশ এবং অন্যান্য মাধ্যমে যাবে ১ শতাংশ। বৃহৎ বাজার সামলাতে লজিস্টিকস নীতিমালা বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।

জানা যাচ্ছে, ব্যবসা সহজীকরণে কাস্টমস প্রক্রিয়া আরো ঝামেলাহীন করবে নতুন নীতিমালা। এমনকি পণ্য গুদাম নাকি পরিবহন- ঠিক কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা জানতে ট্র্যাকিং এবং ট্রেসিংয়ে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহারের পরিকল্পনা সরকারের।

দেশের সব অর্থনৈতিক অঞ্চল সংযুক্ত হবে মূল মহাসড়কে। বিশেষায়িত পণ্যের জন্য স্থাপন করা করা হবে কোল্ড চেইন পরিবহন ব্যবস্থা। চলতি মাসের ২ তারিখ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও নীতি নির্ধারক এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের জাতীয় লজিস্টিকস নীতি সম্পর্কে অবহিত করবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

এটিএম/


সম্পর্কিত আরও পড়ুন




Leave a reply