জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্বের বিধান বাতিলে উদ্যোগী ট্রাম্প

|

যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে জন্মগ্রহণ করলেই মেলে মার্কিন নাগরিকত্ব। এই সুযোগের দিন ফুরোলো বোধ হয়। কারণ এ সংক্রান্ত বিধানটি বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সোমবার টেলিভিশনের প্রচারিত এক সাক্ষাতকারে ট্রাম্প জানিয়েছেন, এখন থেকে আর কোন বিদেশির সন্তান শুধু জন্মগ্রহণের কারণেই যাতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব না পাওয়া, সে বিষয়ে নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করতে চলেছেন তিনি।

ট্রাম্প বলেন, আমরাই পৃথিবীর একমাত্র দেশ, যেখানে যে কেউ একজন এসে বাচ্চা জন্ম দিলো, আর সেই বাচ্চা ৮৫ বছরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সবধরণের সুযোগ সুবিধার দাবিদার হয়ে যাবে। এটা অবিশ্বাস্য, হাস্যকর এবং এটা এখনই বন্ধ করা দরকার।

জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের এই বিধান বাতিলের বিষয়ে উপদেষ্টাদের সাথে আলাপের কথা জানান ট্রাম্প। তার বিশ্বাস, নির্বাহী আদেশের মাধ্যমেই তা অর্জন করা সম্ভব। ট্রাম্প বলেন, এতোদিন আমাকে বলা হয়েছে, এটার জন্য সংবিধান সংশোধন করতে হবে। কিন্তু আমি বলছি, তার কোন দরকার নেই।

তবে ঠিক কখন এই সুযোগ বন্ধ করা হচ্ছে, তার নির্দিষ্ট কোন সময়সীমা উল্লেখ না করে ট্রাম্প বলেন, প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। শিগগিরই এটা কার্যকর হয়ে যাবে, একটা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে।

ট্রাম্পের উদ্যোগ সাংবিধানিক বিতর্ক উস্কে দিয়েছে। বিতর্কটা হচ্ছে মার্কিন সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী নিয়ে। যেখানে উল্লেখ রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেয়া প্রতিটি মানুষই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রই যে একমাত্র দেশ যেখানে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব দেয়া হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন দাবি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। নাম্বারইউএসএ নামের অভিবাসীদের নিয়ে কাজ করা একটি সংগঠনের তথ্য বলছে, বিশ্বে এমন ৩৩টি রাষ্ট্র রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, কানাডা, মেক্সিকো, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনার মতো দেশ।









Leave a reply