সভা সমাবেশে কোন বাধা দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

|

গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাড়ে তিন ঘণ্টার সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। সেই সম্মেলনে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরি জানান, সংলাপে শুরুতে সুচনা বক্তব্য রাখেন ড কামাল হোসেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ বক্তব্যে বলেন যে, ঢাকা শহরসহ সারাদেশে সভা সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচীতে কোন বাধা থাকবে না।

এরকম একই কথা সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছেন কেউ সভা সমাবেশ করতে চাইলে করতে পারবে তবে তা রাস্তা বন্ধ করে না।

এদিকে সংলাপের সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আজকে এই অনুষ্ঠানে আপনারা এসেছেন গণভবন ও জনগণের ভবনে। এই ভবনে আপনাদেরকে স্বাগত জানাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জন্য আর্থসামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছি। দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পাড়ি দিয়ে গণতন্ত্রের যাত্রা এবং উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে আজকের দিনটি বিরাট অবদান রাখবে বলে মনে করি।

তিনি বলেন, এই দেশটা আমাদের সকলের। মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং দেশের সার্বিক উন্নয়ন এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমি এটা বিচারের ভার আপনাদের উপর ছেড়ে দেব। দীর্ঘ নয় বছর ১০ মাস হতে চললো, আমরা এই সময়ের মধ্যে দেশে কত উন্নয়ন করতে পেরেছি সেটা নিশ্চয়ই আপনারা বিবেচনা করে দেখবেন। এটুকু বলতে পারি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ভালো আছে, তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটছে।

এদিকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংলাপে আলোচনা নিয়ে সন্তুষ্ট নন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্টের যে সব কর্মসূচি আছে তা চলবে।

এর আগে সন্ধ্যা ৭টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপ শুরু হয়ে শেষ হয় রাত সাড়ে ১০টায়।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দলীয় জোটের ২৩ নেতার সঙ্গে সংলাপে অংশ নেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ২০ নেতা।

ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্ব দেন ড. কামাল হোসেন। তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সংলাপে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় থাকার কথা থাকলে শেষ পর্যন্ত তিনি আর যোগ দেননি।









Leave a reply